জৈন্তাপুরে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার হর্নি ও বাইরাখেল মৌজার লোকজন নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়ে বসত ভিটার জায়গা নিয়ে হুমকীর মুখে রয়েছে। উপজেলার বড় নয়া গাং নদী হতে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের কারনে নদীর তীর ভেঙ্গে যাচ্ছে। এলাকার নিরীহ লোকজন জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে গত ৮ মে রবিরার স্মারকলিপি দিয়েছেন। একটি প্রভাবশালী স্বার্থনেষী মহলের যোগসাজেসে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের সুযোগ করে দেন। ফলে গ্রামবাসীর যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা বালু উত্তোলনের ফলে নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে এবং নিরীহ ব্যক্তিদের মালিকানাধীন বসতঃভিটা, কবরস্থান, ঈদগাঁ সহ শত শত বিঘা ফসলী জমি বড় নয়া গাং নদী গর্ভে ভেঙ্গে যাচ্ছে। অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের ফলে পরিবেশ যে ভাবে হুমকীর মুখে পড়ছে, তেমনি নিরীহ গ্রামবাসীর বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ফসলী জমি গুলো নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে। ইতোমধ্যে হর্নি মৌজার ৪৬নং জেল স্থিত ৪২, ৩৩, ৩৪, ৬, ৫, ৩ নং দাগ সমুহের প্রচুর জমি এবং বাইরাখেল মৌজার ২৬৪ নং দাগে প্রায় ৯০ একর জমি অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের কারনে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বলে এলাকার লোকজন অভিযোগ করেছেন।
এলাকাবাসী আরও জানান ২০০৭ সন হতে তাদের জমি রক্ষার জন্য একাধিক বার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন নিবেদন করে আসলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। বরং বাইরাখেল গ্রামের প্রভাবশালী মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে ফয়জুল ইসলাম, মৃত ইউছুফ আলীর ছেলে সিকন্দর আলী, ইদ্রিস আলী, মৃত রকিব আলীর ছেলে খলিলুর রহমান, মৃত সিদ্দেক আলীর ছেলে আব্দুর রশিদ ইউনিয়ন টেক্স আদায়ের নামে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করে গ্রামবাসীর ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন করে দিচ্ছে। বাঁধা দিলেও প্রভাবশালীদের কারনে তা মানা হচ্ছে না।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ খালেদুর রহমান বলেন- এলাকাবাসীর অভিযোগ পাওয়ার পর যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ সহ এলাকাবাসীর আবেদনটি প্রেরণ করা হয়েছে।
Related News
সিলেটের তামাবিল হাইওয়ে পুলিশের চার সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে পর্যটকদের হয়রানি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সিলেট হাইওয়েRead More
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় গড়ে তুলতে হবে : এমপি লুনা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, একটি শিক্ষিত ওRead More



Comments are Closed