Main Menu

বিএনপির নাম ভাঙিয়ে সরকারি রাস্তায় চলাচলে বাধা, প্রাণনাশের হুমকি

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বিএনপির নাম ভাঙিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি, সরকারি রাস্তায় চলাচলে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।

Manual4 Ad Code

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেছেন নগরীর পশ্চিম পীরমহল্লা ঐকতান ১২৫ নম্বর বাসার বাসিন্দা ফাতেমা জান্নাত বাবলি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তার দুই ভাই ফারুক ইবনে আম্বিয়া আলমগীর ও আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তিনি তার দুই সন্তান নিয়ে বৃদ্ধ পিতার সেবা করতে ভাইদের বাসায় থাকেন। কিন্তু তার প্রতিবেশি হুমায়ুন বখত ও তার পরিবারের সদস্যরা তাদের প্রতি নানান অবিচার, নির্যাতন করছেন।

প্রবাসী ভাইয়েরা পশ্চিম পীর মহল্লার ঐকতান ১২৫ নং তিনতলা বাসাটি কষ্টার্জিত টাকায় জমি কিনে তৈরি করছেন। হুমায়ুন বখত প্রথমে ১০ লাখ এবং পরবর্তীতে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বাসার প্রবেশদ্বারে বাচ্চাদের মল, আবর্জনার স্তুপ ও ভাঙা ইটের টুকরো জড়ো করে চলাচলে বাধা দিচ্ছেন। এমনকি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য শাখার কর্মীরা এই রাস্তা দিয়ে বর্জ্য সংগ্রহ করতে গেলে হুমায়ুন তাদের লাঠিসোটা দিয়ে ধাওয়া করেন। বাবলির বৃদ্ধ পিতা জীবিত থাকতে হুইল চেয়ারে মসজিদে বা ডাক্তারের কাছে যাতায়াতের সময়ও বাধা দেন হুমায়ুন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি তার বৃদ্ধ পিতা মারা যাওয়ার পর আত্মীয়-স্বজনরা যাতায়াতকালে হুমায়ুন ময়লা-আবর্জনা রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। এরপর বাসার প্রবেশদ্বারে প্রায় ২ ফুট দেওয়াল তুলে রাস্তাটি বন্ধ করার চেষ্টা করলে বাবলির ভাই আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতের আশ্রয় নেন এবং আদালত ১৪৫ ধারায় স্থিতাবস্থা জারি করেন। কিন্তু হুমায়ুন আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে তার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছন। বাধা দিতে গেলে তার স্ত্রী নাসিমা, মেয়ে তাইবাসহ হুমায়ুন তাদের হত্যার হুমকি দিয়েছেন। এছাড়াও পরিবারকে হেনস্থা করতে নিজের স্ত্রী ও কাজের ছেলের সাজানো ভিডিও ধারণ ও জিডি দায়ের করে অযথা হয়রানির চেষ্টার অভিযোগও তুলেছেন বাবলি।

Manual1 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গত ১ জুলাই তাদের কাজের ছেলে রাস্তার আবর্জনা পরিস্কার শুরু করলে হুমায়ুন, তার স্ত্রী নাসিমা, মেয়ে তাইবা ও নাসিমার ছোট দুই বোন রামদা ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদের উপর হামলার চেষ্টা করেন। তার মেয়ে তাইবা দা হাতে বাবলি ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেয়।

এ ঘটনায় তারা এয়ারপোর্ট থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ তদন্ত করতে আসে। কিন্তু হুমায়ুন বিএনপির কিছু নেতাকে দিয়ে পুলিশকে ম্যানেজ করেছেন বলেও অভিযোগ তুলেছেন বাবলি। হুমায়ুন বিভিন্ন সময় বাবলির বোনের ছেলেদের নামে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করছেন। তিনি তাদের ঘরে আগুন লাগিয়ে ছিলেন। এ ঘটনায় এয়ারপোার্ট থানাপুলিশ অভিযোগ না নেওয়ায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে (সিআর ১২৬/২৬)। এছাড়াও চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা মামলাটিও (সিআর ১০৭/২৬) এখনো বিচারাধিন। এছাড়াও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ পুলিশের কমিশনার ও ডিআইজির কাছেও অভিযোগ দেওয়া হয়েছে কিন্তু কোনো প্রতিকার পাননি।

বাবলি জানান, হুমায়ুন বখত ও তার পরিবারের সদস্যরা যেকোনো সময় তাদের জীবন ও সম্পদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেন। তিনি তাদেরকে বাসা থেকে বের করে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছেন।

তিনি এ ব্যাপারে সরকার, প্রশাসন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ অন্যান্য বিএনপি নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

তবে, এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হুময়ুন বখত। তিনি বলেন, আমি কোনো সরকারি রাস্তা দখল করিনি।

Manual5 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code