সুরঞ্জিত সেন হত্যাচেষ্টা মামলা: সিলেট আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি বিএনপির ৩ নেতার
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যা চেষ্টা মামলায় আদালতে হাজির হয়ে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন আসামিরা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকারের আদালতে হাজির হয়ে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন সিসিকের সাবেক মেয়র ও প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবে স্বরাস্ট্রমন্ত্রী ও নেত্রকোনা-৪ (মোহনগঞ্জ, মদন, খালিয়াজুরি) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর, জাতীয় সংসদের হুইপ, হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউছ।
এসময় তারা মামলাটিকে মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে মামলা থেকে অব্যাহতি চান। এর আগে তিনজনই বিমানযোগে সিলেটে পৌঁছান।
মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী এটিএম ফয়েজ জানান, রায় ঘোষণার আগে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আদালতে আসামিদের পরীক্ষা করা হয়। এতে আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর, জি কে গৌছসহ অন্যান্য আসামিরা স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং নির্দোষ দাবি করেন।
আদালতে বক্তব্য দিতে গিয়ে জি কে গৌছ বলেন, “এই মামলার কারণে আমি ২৬ মাস নির্যাতনের শিকার হয়েছি। শুধুমাত্র বিএনপি করার কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত আমাকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। আমি মামলার বাদীর শাস্তি দাবি করছি।”
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি আবুল হোসেন জানান, আসামি পরীক্ষা শেষে আদালত আগামী ২১ এপ্রিল যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
এর আগে বেলা ১২টার দিকে আরিফুল হক চৌধুরীসহ অন্যান্য আসামিরা আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। এসময় বিপুল সংখ্যক আইনজীবী ও দলীয় নেতাকর্মী তাদের ঘিরে রাখেন। মামলার শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
শুনানিতে সিলেট জেলা পিপি আশিক উদ্দিন, মহানগর পিপি বদরুল আলম চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা অংশ নেন।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাইবাজারে এক রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। হামলায় যুবলীগের এক কর্মী নিহত এবং ২৯ জন আহত হন। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান তিনি।
ঘটনার পর দিরাই থানার এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর এ ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গৌছসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় মোট ১২৩ জন সাক্ষী রয়েছেন।
Related News
জগন্নাথপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় আসামি জিতেশ চন্দ্র গোপকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেনRead More
সিলেটে হাসপাতালে শিশুকে ধর্ষণ, আসামীর যাবজ্জীবন
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বালাগঞ্জে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় সুমেল খাঁ (৪০)Read More



Comments are Closed