Main Menu

বাবা হত্যার ২১ বছর, যা বললেন ছেলে রেজা কিবরিয়া

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার ২১ বছর পূর্ণ হলো আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি)। দফায় দফায় তদন্তের বেড়াজালে আটকে থাকা ভয়ানক এ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে নানা প্রশ্ন জন্ম নিয়েছে। সাক্ষি না আসাসহ বিভিন্ন জটিলতায় বিচার কার্যক্রম দীর্ঘসূত্রিতায় পড়েছে। এদিকে এই মামলার চার্জশিটকে প্রতারণামূলক বলে আখ্যা দিয়েছেন তার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়া।

মামলার চার্জশিট প্রত্যাখ্যান করে ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, এটি সাজানো, প্রতারণামূলক। এটি আমরা প্রত্যাখ্যান করি। এখানে আওয়ামী লীগ নেতাদের নাম আসেনি।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কখনও সুযোগ হলে মামলাটি রি-ওপেনিং করা যায় কিনা তা আমরা ভেবে দেখবো।

Manual4 Ad Code

আগামী মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে বিচার সম্পন্নের আশা করছেন সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন।

তিনি বলেন, এরই মধ্যে প্রায় ৭০ জন সাক্ষির সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সুস্থ হয়ে ফিরলেই তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষেই মামলাটির সাক্ষী ক্লোজ করে দেওয়ার চিন্তা রয়েছে। এরই মধ্যে সাক্ষিদের হাজির করতে সব সাক্ষী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

নিহত সিদ্দিক আলীর ছেলে মো. মুখলেছুর রহমান বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর হয়েছে এ হত্যাকাণ্ডের। কিন্তু বিচার হয়নি। এবার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আশা করি এমন দুর্ধর্ষ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে। এছাড়া যেহেতু শহীদ শাহ এ এম এস কিবরিয়া সাহেবের ছেলে ড. রেজা কিবরিয়া নির্বাচন করছেন তাই আশা করছি তিনি নির্বাচিত হলে এ মামলার বিচার সম্পন্ন করতে ভূমিকা রাখবেন।

নিহত আবুল হোসেনের ছেলে মো. আব্দুল মতিন বলেন, আমার বাবা ঘটনার দিন কিবরিয়া সাহেবের সভায় অংশ নেন। সভা শেষ হওয়ার পর গ্রেনেড হামলায় তিনি মারা যান। আজ পর্যন্তও আমরা সঠিক কোনো বিচার পাইনি। আমরা এই হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করছি।

Manual7 Ad Code

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় যোগ দেন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া। সভা শেষে ফেরার সময় দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় তিনি ও তার ভাতিজা শাহ মঞ্জুর হুদাসহ মোট ৫ জন নিহত হন। এতে আহত হন প্রায় ৪৫ জন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়।

কয়েক দফা তদন্ত শেষে সিলেট সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জ পৌরসভার তৎকালীন মেয়র জি কে গউছসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। তখন থেকেই মামলার চার্জশিট প্রত্যাখ্যান করে আসছে কিবরিয়া পরিবার।

Manual5 Ad Code

তাদের দাবি, এটি প্রতারণামূলক চার্জশিট। ড. রেজা কিবরিয়া বারবার দাবি করছেন, লোমহর্ষক এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতারা জড়িত।

(মূল রিপোর্ট : জাগোনিউজ)

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code