Main Menu

বিয়ানীবাজারে ছিঁড়ে পড়া পল্লী বিদ্যুতের লাইনে যুবকের মৃত্যু

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় পল্লীবিদ্যুতের চরম অবহেলায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

Manual6 Ad Code

নিহত জাবেদ আহমেদ (৩০) উপজেলার নয়া দুবাগ গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত আব্দুল খালিক লন্ডনীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান রেখে গেছেন।

স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, গত ৩ জানুয়ারী শনিবার সন্ধ্যা প্রায় ৭টার দিকে নয়া দুবাগ এলাকায় একটি বিদ্যুতের লাইন ছিঁড়ে সড়কের পাশে পড়ে যায়। বিষয়টি স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে জানালেও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

নিহতের ভাই ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হারুনর রশীদ জানান, “আমরা সন্ধ্যায়ই পল্লীবিদ্যুৎকে খবর দেই। কিন্তু তারা অনেক দেরিতে আসে। যদি সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে আমার ভাইয়ের জীবন হয়তো রক্ষা পেত।”

Manual4 Ad Code

তিনি আরও জানান, শনিবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় জাবেদ আহমেদ রাতের অন্ধকারে বাড়ি ফেরার পথে সড়কের পাশে পড়ে থাকা বিদ্যুতের লাইনে অসাবধানতাবশত স্পৃষ্ট হন। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে রাত আনুমানিক ২টার দিকে এলাকাবাসী তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে বিয়ানীবাজার থানায় খবর দেন।

অন্যদিকে, পল্লীবিদ্যুতের বিরুদ্ধে আনা অবহেলার অভিযোগ নাকচ করেছেন বিয়ানীবাজার জোনাল অফিসের এজিএম। তিনি বলেন, “ঘটনার বিষয়ে অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। বিদ্যুতের লাইনে কোনো ত্রুটি দেখা দিলে নির্ধারিত টিম পাঠানো হয়। এ ঘটনায় আমাদের কোনো গাফিলতি ছিল না।”

খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার থানার ওসি মো. ওমর ফারুক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তার নেতৃত্বে উপ-পুলিশ পরিদর্শক গপেশ দাসসহ পুলিশের একটি দল লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ উদ্ধার করে।

Manual3 Ad Code

ওসি মো. ওমর ফারুক জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Manual2 Ad Code

এদিকে জাবেদ আহমেদের অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হঠাৎ করে উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে চরম অসহায় অবস্থায় পড়েছে তার পরিবার। বিশেষ করে তার দুই অবুঝ সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code