Main Menu

শীতে অ্যাজমা বাড়ে ৪ কারণে

Manual1 Ad Code

স্বাস্থ্য ডেস্ক: শীতের হালকা পরশ পড়তেই অ্যাজমা বা হাঁপানির উপসর্গ বেড়ে যায়, যা রোগীদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে। হাঁচি-কাশির এই মৌসুমে ঠাণ্ডা বাতাস ও ঘরের ভেতরের (ইনডোর) অ্যালার্জেনের কারণে অনেক অ্যাজমা রোগীকে ভুগতে হয় বাড়তি সমস্যায়।

Manual3 Ad Code

চিকিৎসকেরা বলছেন, সঠিক সতর্কতা না নিলে শীতকাল অ্যাজমার জন্য বেশ কঠিন হতে পারে।

হেলথ ম্যাটারের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় ৯.৮ মিলিয়ন মানুষ অ্যাজমার কারণে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

Manual7 Ad Code

কোম্বিয়া ইউনিভার্সিটি ইরভিং মেডিক্যাল সেন্টারের অ্যালার্জিস্ট ও ইমিউনোলজিস্ট ডা. স্টিফেন ক্যানফিল্ড জানিয়েছেন, শীতের ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস অ্যাজমার উপসর্গকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, এ সময় ফ্লু ও শ্বাসনালীর সংক্রমণ বেড়ে যায় এবং বাড়ির ভেতরে বেশি সময় কাটানোর ফলে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকিও বাড়ে, যা অ্যাজমার উপসর্গকে তীব্র করতে পারে। শুধু সংক্রমণই নয়, ইনডোর অ্যালার্জেন যেমন ঘরের ধুলা, পোষা প্রাণীর লোম এবং ছাঁচ (mold) শ্বাসনালীর প্রদাহ বাড়িয়ে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বুকের মধ্যে শোঁ শোঁ শব্দ তৈরি করতে পারে।

এ ছাড়াও শীতকালের ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস শ্বাসনালীর সংকোচন ঘটানোর ফলে বাইরে বের হলেই অনেকে শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন।

Manual2 Ad Code

ডা. ক্যানফিল্ড শীতে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কয়েকটি করণীয় উল্লেখ করেছেন।

তিনি পরামর্শ দেন, শীতের শুরুতেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সতর্কতা নিলে বড় ধরনের জটিলতা এড়ানো যায়। অ্যাজমার উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে, বিশেষত নতুন কাশি, শ্লেষ্মা বেড়ে যাওয়া কিংবা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি জ্বর দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Manual7 Ad Code

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখলে রোগীরাও সহজেই পুরো শীতকাল পার করতে পারেন।

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code