Main Menu

সিলেটে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে কিশোর খুন, গ্রেপ্তার ৩

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট মহানগরীর বাদামবাগিচা এলাকায় দুই গ্রুপের বিরোধের জেরে এক কিশোর খুন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

Manual2 Ad Code

নিহত কিশোর শাহ মাহমুদ হাসান তপু (১৫) নগরীর ইলাশকান্দি বাদামবাগিচার উদয়ন ৪০/২ আবাসিক এলাকার শাহ এনামুল হকের ছেলে।

তপু খাসদবির উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র এবং চার ভাই-দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট। শুক্রবার সন্ধ্যায় জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

পুলিশ জানায়, কিশোরদের দুই গ্রুপের বিরোধকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে একটি গ্রুপের প্রধান খাসদবির এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. জাহিদ হাসানের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে অপর গ্রুপের তপু মারাত্মক আহত হয়। তাকে আত্মীয়স্বজন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

Manual1 Ad Code

ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রুপ প্রধান জাহিদসহ তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলেন- নগরীর লোহারপাড়া এলাকার আব্দুল মনিরের ছেলে মো. অনিক মিয়া ও মো. বশিরুল ইসলামের ছেলে মো. জুনেদ আহমদ।

Manual7 Ad Code

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার রাতে তপুকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় জাহিদ ও তার সহযোগীরা। পরে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। তবে কেন এই হত্যাকাণ্ড—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাচ্ছে না তপুর পরিবার। নিহতের বড় ভাই রুবেল আহমদ বলেন, ‘বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে জাহিদরা বাসা থেকে ডেকে নিয়ে তপুকে হত্যা করেছে। কেন করেছে জানি না।’

Manual1 Ad Code

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী তপুর এক বন্ধু জানান, সেদিন রাতে তপুদের সংখ্যা ছিল তিনজন। আর জাহিদদের ১৫-২০ জন। তবু পরিস্থিতি এমন ছিল না যে তারা তপুকে মেরে ফেলবে। কিন্তু ধস্তাধস্তির সময় তপু পড়ে গেলে জাহিদ তার পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেয়। ’

এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান জানান নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি। তবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code