Main Menu

শ্রীমঙ্গলে চীনের জনপ্রিয় বাহন সেন্ট’স আই ই-বাইকের বিক্রয় সেবার উদ্বোধন

শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা: পর্যটন রাজ্য শ্রীমঙ্গলে আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। দেশের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয় পরিবহন মাধ্যম ইলেকট্রিক স্কুটার ও ইলেকট্রিক সাইকেলের বিক্রয় সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটায় শ্রীমঙ্গলের গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফের মনোরম হলরুমে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে তৈরী চীনের জনপ্রিয় বাহন সেন্ট’স আই ই-বাইক ইলেকট্রিক স্কুটারের বিক্রয় ও সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন রিসোর্টের চেয়ারম্যান খাজা টিপু সুলতান।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ‘‘সেন্ট’স আই ই-বাইক ইলেকট্রিক স্কুটার পরিবেশ বান্ধব, সাশ্রয়ী ও আধুনিক যুগের উপযোগী একটি পরিবহন মাধ্যম, যা শ্রীমঙ্গলের পর্যটন ও নগর জীবনে নতুন মাত্রা যোগ করবে। সেন্ট’স আই ই-বাইক বেকার যুবক-যুবতীদের আয়ের একটি মাধ্যম হতে পারে।

অনুষ্ঠানে মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ছয় শতাধিক অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে খাজা টিপু সুলতান আরো বলেন, “শ্রীমঙ্গলকে আলাদাভাবে পরিচিত করতে আমরা পাচঁ তারকা মানের গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এ্যান্ড গলফের পথযাত্রা শুরু করেছিলাম। ঋণ নিয়ে শুরু করলেও এলাকার মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতায় আজ প্রতিষ্ঠানটি ঋণমুক্ত হয়েছে।”

আজ এই প্রতিষ্ঠানেই বাংলাদেশের বাজারে চীনের এই জনপ্রিয় ব্যান্ডের সেন্ট’স আই ই-বাইক এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অনুষ্ঠান করছেন। নয়তো বা তিনি দেশের রাজধানী ঢাকায় করতে পারতেন বলে জানান। খাজা টিপু সুলতান আরও বলেন, “শ্রীমঙ্গল একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন এলাকা। দেশ-বিদেশের পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের সুবিধার কথা চিন্তা করেই আমরা এই ইলেকট্রিক স্কুটার সেবার যাত্রা শুরু করেছি।”

তিনি জানান, নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য নানা রঙ ও মডেলের স্কুটার পাওয়া যাবে, সঙ্গে থাকবে বিক্রয়োত্তর সেবা ও প্রয়োজনীয় সব সুবিধা।

তিনি আরো জানান, শ্রীমঙ্গলবাসীর ভালোবাসা থেকেই তিনি এখানে রশনি অটো রাইস মিল ও রশনি পলি ফাইবার মিল গড়ে তুলেছেন, যা সফলতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে এবং ব্যাংক দায়মুক্ত হয়েছে। এ সময় তিনি ঘোষণা দেন— রশনি পলি ফাইবার মিলের ৫০ শতাংশ শেয়ার স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য অবমুক্ত করবেন।

ব্যক্তিগত জীবনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “শ্রীমঙ্গলেই আমার জীবনের শেষ ঠিকানা। এখানকার মানুষ ও প্রকৃতিকে ভালোবেসে আমি ‘শ্রীমঙ্গলীয়ান’ পরিচয়ে গর্ববোধ করি।”

এজন্য তিনি শ্রীমঙ্গলে গড়ে তুলেছেন ‘জান্নাতুল ফেরদৌস মসজিদ ও কবরস্থান’। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের পরিচালক, উর্ধতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

Share





Related News

Comments are Closed