বঙ্গবীর এম এ জি ওসমানীর ১০৭তম জন্মবার্ষিকী আজ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি বঙ্গবীর জেনারেল মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর ১০৭ তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ওসমানীর আদি পুরুষের বাড়ি সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামীরে।
সিলেটে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তার জন্মবার্ষিকী পালন করবে বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি সংসদ। সকালে তার কবরে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ ছাড়া বিকেলে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় বাদ জোহর থেকে হযরত শাহজালাল রহ: মাজার প্রাঙ্গণে খতমে কোরআন ও বাদ আছর মিলাদ মাহফিল।
দোয়া শেষে মরহুমের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে জিয়ারত শেষে মরহুমের মাতা-পিতা, ভাই-বোন সহ ৭১ এর সকল শহীদানদের রূহের মাগফেরাত কামনা সহ দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে ওসমানী তৎকালীন সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৩৯ সালে তিনি রয়্যাল আর্মড ফোর্সে ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেন। দেরাদুনে ব্রিটিশ-ভারতীয় মিলিটারি একাডেমিতে প্রশিক্ষণ শেষে তিনি ১৯৪০ সালে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন কমিশনড অফিসার হিসেবে। ১৯৪২ সালে মেজর পদে উন্নীত হন। সে সময় ওসমানী ছিলেন ব্রিটিশ সরকারের সর্বকনিষ্ঠ মেজর।
১৯৫৬ সালে তিনি কর্নেল পদমর্যাদা লাভ করেন এবং সেনাবাহিনীর হেডকোয়ার্টারের জেনারেল স্টাফ অ্যান্ড মিলিটারি অপারেশনের ডেপুটি ডিরেক্টরের দায়িত্ব পান। পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি অবসর গ্রহণ করেন।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ওসমানী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। একাত্তরের ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে ভাষণ দেন। ওই ভাষণে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবকাঠামো গঠনের কথা উল্লেখ করে এম এ জি ওসমানীকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তার পরিকল্পনায় গোটা দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করা হয়।
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিবনগর সরকার, ওসমানীকে করা হয় মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ করলে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। ২৬ ডিসেম্বর ওসমানীকে জেনারেল পদে উন্নীত করে নবগঠিত দেশের প্রথম সেনাপ্রধান নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ১৯৭২ সালের ১২ এপ্রিল অবসর গ্রহণ করেন।
পরবর্তীতে মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়ে অভ্যন্তরীণ নৌ-যোগাযোগ, জাহাজ ও বিমান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। তবে ১৯৭৫ সালে বাকশাল গঠনের প্রতিবাদে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে লন্ডনে চিকিত্সাধীন অবস্থায় ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এম এ জি ওসমানী মৃত্যুবরণ করেন। তাকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
Related News
বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা
Manual5 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে এসে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।Read More
ভ্যাটের আওতায় আসছে মুদি দোকান-বিউটি পার্লারসহ ১৬ ব্যবসায়িক খাত
Manual2 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মুদিদোকান ও বিউটি পার্লারসহ বেশ কয়েক ধরনের নতুন ব্যাবসায়িকRead More



Comments are Closed