Main Menu

বিয়ানীবাজারে অগ্নিকাণ্ডে তুলার গুদাম পুড়ে ছাই

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মোল্লাপুর গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি তুলার গুদাম, কারখানা এবং একটি মুদি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে।

রবিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার মোল্লাগ্রামের আব্দুল করিম মার্কেটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

Manual2 Ad Code

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বিয়ানীবাজার-বারইগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত জবির উদ্দিনের মালিকানাধীন তুলার গুদামে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো গুদাম ও কারখানায়। পাশাপাশি থাকা গুলজার আলমের মুদি দোকানেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

Manual5 Ad Code

বিয়ানীবাজার ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট স্থানীয়দের সহযোগিতায় দেড় ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তবে, দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে কোনো জলাশয় না থাকায় পানি সরবরাহে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এ সময় মহাসড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

Manual4 Ad Code

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বিয়ানীবাজার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম মুস্তফা মুন্না। তিনি বলেন, ‘তুলার মতো দাহ্য পদার্থ যেখানে থাকে, সেখানে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখা জরুরি। টিলা এলাকায় জলাশয়ের অভাব থাকায় ফায়ার সার্ভিসকে পানি সরবরাহে সমস্যা পোহাতে হয়। তারপরও তারা দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন।’

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে গুলজার আলম জানান, তার মুদি দোকানের প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামাল এবং তুলার গুদামের প্রায় তিন লাখ টাকার তুলা পুড়ে গেছে। আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে তিনি বলেন, “ধোঁয়া দেখতে পেয়ে পাশের চায়ের দোকান থেকে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাটি টের পাই। ততক্ষণে সব পুড়ে গেছে।”

ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার সুকুমার সিংহ জানান, প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় পাঁচ লাখ টাকার মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তিনি ধারণা করছেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।

স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বাজার এলাকায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

Manual4 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code