Main Menu

সুনামগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে বাংলাদেশী নিহত

Manual5 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের মোকামছড়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের নথরাই পুঞ্জি এলাকায় খাসিয়ার গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সীমান্তে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

Manual4 Ad Code

নিহত কুটই মিয়া (৫৫) দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের পেকপাড়া (মোকামছড়া) গ্রামের মৃত মনির উল্ল্যাহ’র ছেলে।

তবে নিরাপদে পালিয়ে এসেছেন একই গ্রামের ৬ জন। এই ৬ জন হলেন আইয়ুব আলীর ছেলে হানিফ মিয়া (৩০), মৃত এরাবুল্লাহ’র ছেলে আকবর আলী (৩১), জরিফ উদ্দিন (৪৫), অজুদ মিয়ার ছেলে খোকন মিয়া (৩৫), ময়না মিয়ার ছেলে ইসহাক মিয়া (৫০) ও মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে সোনা মিয়া (৫৫)।

Manual7 Ad Code

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সীমান্তের ১২৩০ সাবপিলার ২ এস-এর পাশ দিয়ে ৬/৭জনের একটি দল সুপারী আনার জন্য ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলং জেলার মোশাররম থানার লংথ্রাই পুঞ্জি এলাকায় প্রবেশ করে। দুপুরে সুপারী বস্তায় ভরার সময় খাসিয়ারা দেখে গুলি ছুড়লে কুটই মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুলির পর তার সঙ্গে থাকা বাকি ৫/৬ জন দৌড়ে বাংলাদেশে চলে আসে। বিকালে খবর পেয়ে নিহত কুটই মিয়ার আত্মীয়-স্বজন লংথ্রাই পুঞ্জি এলাকায় গিয়ে কুটই মিয়ার মৃতদেহ শনাক্ত করেছে বলে জানা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা বৃহস্পতিবার রাতেই কুটি মিয়ার বাড়িতে যায়।

Manual6 Ad Code

কুটি মিয়ার স্ত্রী রত্না বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গরুর ঘাস কাটতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। এখন পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ খবর পাচ্ছি না। কোথায় আছেন জানি না। ভারতে সুপারী আনতে গিয়ে খাসিয়াদের গুলিতে মারা যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো কথা বলেননি।’

দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক বলেন, ‘পেকপাড়া মোকামছড়া গ্রামের কুটি মিয়াসহ ৭ জন ভারতের ৭ কিলোমিটার ভেতরে সুপারী চুরি করতে গিয়েছিল। ৬ জন ফিরে আসলেও কুটি মিয়া নাকি খাসিয়াদের গুলিতে মারা গেছেন। তবে সঠিক তথ্য জানা যায়নি। পরিবারের লোকজন স্বীকার করেছেন কুটি মিয়া ভারতে সুপারী আনতে গিয়েছিলেন। কুটি মিয়া এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।’

বিজিবির সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির বলেন,‘ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের প্রায় ৭ কিলোমিটার ভেতরে। সবাই সুপারী চুরি করতে গিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে ভারতের বিএসএফের ১১০ ব্যাটালিয়ন কমান্ড্যান্টের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, ভারতীয় খাসিয়াদের সঙ্গে বাংলাদেশি চোরাকারবারিদের কলহ হয়েছে। কিন্তু কেউ হতাহত হয়নি। সব চোরাকারবারিরা নাকি বাংলাদেশে ফেরত এসেছেন। তবে কুটি মিয়া নিখোঁজ থাকার বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। বিএসএফ খোঁজ-খবর নিচ্ছে। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করার দায়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফেরত আসা সব চোরাকারকারি বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন।’

 

Manual2 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code