Main Menu

রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে বিক্ষোভ সমাবেশ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাসদ (মার্কসবাদী) সিলেট জেলার উদ্যোগে আসন্ন রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকালে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাসদ (মার্কসবাদী) সিলেট জেলা সাংগঠনিক কমিটির সমন্বয়ক কমরেড সঞ্জয় কান্ত দাসের সভাপতিত্বে ও সদস্য সুমিত কান্তি দাসের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক অজিত রায়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সিলেট নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক বুশরা সুহেল প্রমুখ।

সমাবেশ বক্তারা বলেন, ” আওয়ামী শাসনামলে প্রতি বছরই আমরা দেখেছি রমজান মাসে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি। এবারও আমরা দেখতে পাচ্ছি বাজার সিন্ডিকেটের কারসাজি বন্ধ হয়নি। ইতিমধ্যে যার ফলে আমরা দেখতে পাচ্ছি সিলেটে পোল্ট্রি মুরগীর দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। আশংকা করা হচ্ছে রমজান মাসে দাম আরোও বৃদ্ধি পেতে পারে। সোয়াবিন তেল নিয়ে চলছে তুলকালাম কান্ড। বাজারে সোয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতি লিটার তেল বিক্রি হচ্ছে নির্ধারিত দামের চেয়ে কমপক্ষে ২৫টাকা বেশি দরে। এদিকে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পন্য খালাস করছেন না ব্যবসায়ীরা। এমতবস্থায় আমরা সরকারের পক্ষ থেকে বাজার সিন্ডিকেট ভাঙ্গার কোন উদ্যোগ দেখছি না। আবার গতকাল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন প্রস্তাব করেছে যে, প্রতি ইউনিট গ্যাসের দাম ৩০টাকা থেকে বাড়িয়ে প্রায় ৭৬টাকা করার। যদি গ্যাসের এই বর্ধিতমূল্য কার্যকর হয়,তবে সকল জিনিসের দাম হুহু করে বাড়বে। তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও বাজার সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দ্রব্য মূল্য মানুষের হাতের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসা জরুরি। অন্যদিকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিনকে দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। পত্রিকার পাতা খুললেই আমরা দেখতে পাই খুন, ধর্ষন,ছিনতাইয়ের ঘটনা। মানুষের মধ্যে এক ধরণের অজানা আতংক কাজ করছে।’

বক্তারা আরো বলেন, গণ অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকারের যেখান প্রধানতম কাজ ছিলো দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা, বাজার সিন্ডিকেট ভাঙ্গা, গণহত্যায় জড়িতদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসা। সরকার এ সকল ব্যাপারে কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ফলে দেশে এক ধরণের নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে জোড় দাবি করছি যে, রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ধর্ষকদের গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।” প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Share





Related News

Comments are Closed