Main Menu

সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিতে প্রশাসক নিয়োগের দাবী

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিতে অতি শীঘ্রই প্রশাসক নিয়োগের দাবী জানিয়েছেন সিলেটের ব্যবসায়ীরা।

Manual5 Ad Code

সোমবার ( ২ ডিসেম্বর) ব্যবসায়ীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবী জানান দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ ও সাবেক পরিচালক আমিরুজ্জামান চৌধুরী দুলু।

সংবাদ সম্মেলনে আগামী ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দাবী মেনে একটি প্রতিনিধিত্বশীল পরিচালনা পরিষদ গঠনের লক্ষ্যে প্রশাসক নিয়োগ করা না হলে ৮ ডিসেম্বর রবিবার সিলেট চেম্বারের সম্মুখে মানববন্ধন সহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন ঘোষণা করেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা বলেন, সিলেটের ব্যবসায়ীদের সংগঠন দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি অত্র অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্বকারী, দীর্ঘকালের ঐতিহ্যবাহী ও সর্ববৃহৎ একটি ব্যবসায়িক সংগঠন। এই সংগঠনের দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় একটি বিষয় লক্ষনীয় যে, এই সংগঠনের নেতৃত্ব বা পরিচালনা পরিষদ গঠনের ক্ষেত্রে অতীতে রাজনৈতিক পরিচয় বা ভেদাভেদ ভুলে ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে নির্বাচনের মাধ্যমে পরিচালনা পরিষদ গঠন করে আসছিলেন এবং ব্যবসায়ীদের কল্যাণে সিলেট চেম্বার সব সময়ই তৎপর ছিল। কিন্তু বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে ‘দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সর্বশেষ পরিচালনা পরিষদের নেতৃত্বে সিলেটের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প ও সেবাখাতের কল্যাণে সিলেট চেম্বারের কার্যক্রম সার্বিকভাবে পরিচালিত হয়নি। বরং অনির্বাচিত, একদলীয় স্বৈরাচারী সরকারের তোষামোদি, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল সহ রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে চেম্বার তৎপর ছিল। রাজনৈতিক মদদপুষ্ট কিছু অসাধু, অ-ব্যবসায়ী সিলেট চেম্বারের নের্তৃত্বে আসীন হয়ে সিলেট চেম্বারকে একটি দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছিল।

Manual1 Ad Code

ব্ক্তারা বলেন, ২০২২-২৩ সালে পরিচালনা পরিষদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রথমে বাণিজ্য সংগঠন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে আবেদনক্রমে নির্বাচন করার জন্য পরিষদের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। পরবর্তীকালে বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা, বাণিজ্য সংগঠন আইন ও সংঘবিধি লঙ্ঘন করে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের যোগসাজসে গোপনীয়ভাবে নির্বাচন দেখিয়ে, ভোটার ও প্রার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনক্রমে ২০২৪-২৫ মেয়াদের জন্য পরিচালনা পরিষদ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ব্যবসায়ীরা এই বিতর্কিত কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে পরিচালনা পরিষদের ২৩ জন পরিচালকের মধ্যে সিনিয়র সভাপতি, সহ-সভাপতি সহ ৫ জন পরিচালক উক্ত পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। এ ছাড়া বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের উপর সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগে চেম্বার সভাপতি তাহমিন আহমদ সহ আরো ৫/৬ জন পরিচালকের উপর মামলা হয়ে যায়। এই মামলার আসামীরা বর্তমানে পলাতক থাকলেও আড়ালে থেকে তারা চেম্বার নিয়ে কলকাঠি নাড়ছেন এবং নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। তারা সিলেটের ব্যবসায়ীদের মতামতের কোন তোয়াক্কা না করে স্বৈরাচারের দোষরদের যোগসাজসে অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে পরিচালনা পরিষদকে নিজেরা পুর্ণগঠন করে নিয়েছেন এবং একজন পরিচালককে সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছেন- যিনি স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। বর্তমানে একজন সিনিয়র পরিচালককে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বানিয়ে চেম্বার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। চলতি ডিসেম্বর মাসের মধ্যে এই গোপনীয় পরিষদ চেম্বারের এজিএম অনুষ্ঠানের পায়তারা করছে যা সিলেটের ব্যবসায়ীরা কোনভাবেই মেনে নিবে না।

Manual3 Ad Code

ব্যবসায়ীরা আরো বলেন, ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে উপদেষ্টা, মহাপরিচালক বাণিজ্য সংগঠন, বাণিজ্য মন্ত্রনালয় বরাবরে ব্যবসায়ীদের দাবী-দাওয়া জানিয়ে পৃথক দুটি আবেদন করা হয়েছে। এরপর মহাপরিচালকের দপ্তর থেকে ইস্যুকৃত চিঠির প্রেক্ষিতে সিলেটের জেলা প্রশাসক মহোদয় ব্যবসায়ীদের সাথে মিটিং করেছেন এবং মন্ত্রনালয়ে রিপোর্ট পেশ করেছেন। কিন্তু এখনও এই ব্যাপারে কোন দৃশ্যমান পরিবর্তন আমরা দেখতে পাচ্ছি না।
দেশে ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর এফবিসিসিআই সহ প্রায় সকল ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্বে পরিবর্তন বা প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু সিলেটের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বারবার দাবী করার পরও রহস্যজনক কারণে সিলেট চেম্বারে ঘাপটি মেরে বসে থাকা ষড়যন্ত্রকারী ও স্বৈরাচারের দোষরদেরকে বরখাস্ত করে প্রশাসক নিয়োগ করা হচ্ছে না। আমরা ঐতিহ্যবাহী এই সংগঠন নিয়ে কোন ধরণের ষড়যন্ত্র মেনে নিতে পারবো না। ব্যবসায়ীরা ঐক্যবদ্ধভাবে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি।

Manual4 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code