Main Menu

দুদক সংস্কার কমিশনে দুর্নীতি মুক্তকরণ ফোরামের প্রস্তাবনা পেশ

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের সভাপতি ও সাধরণ সম্পাদক জননেতা মকসুদ হোসেন স্বাক্ষরিত একটি ইমেল বার্তায় দুদক সংস্কার কমিশন প্রধানের কাছে দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের পক্ষ থেকে ৭ দফা প্রস্তাবনা পেশ করেছেন।

Manual4 Ad Code

সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিকালে এই ইমেল প্রেরণ করা হয়।

Manual2 Ad Code

প্রেরিত ইমেল বার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান বাঁধা উচ্চ পর্যায়ে বড় বড় দুর্নীতি। দুদক সংস্কার কমিশনে প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামানও বলেছেন, দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক “রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রের কাছে জিম্মি”। এর মানে হচ্ছে আমলাতন্ত্র জিন্দাবাদ, গণতন্ত্র মুর্দাবাদ। এই দু’প্রভাবের কারণে সংস্থাটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করতে পারে না। দেশের উচ্চ পর্যায়ে বড় বড় দুর্নীতি ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে গণজাগরণ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৯৮ সাল হতে হযরত শাহজালাল (রঃ)’র পুণ্যভূমি সিলেট থেকে কোন ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই কাজ করে যাচ্ছে দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম।

বিগত ১৫ বছর শেখ হাসিনার সরকারের ভয়াবহ দুর্নীতি ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে রাজপথে ঘাম ঝরানো এ্যাকশনমূলক কর্মসূচি পালন করেছে। চুড়ান্ত দারিদ্রতা ও সীমাবদ্ধতা ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আওয়ামী গডফাদারদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা দায়েরের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অত্র সংগঠন বার বার অবহিত করেছে।

দুদক সংস্কার বিষয়ে দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের পেশকৃত প্রস্তাবনাগুলো হচ্ছে-

১. সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদ মোতাবেক শক্তিশালী ন্যায়পাল কমিশন অবিলম্বে গঠন করা হোক। পাশাপাশি আর্থিক যোগান নিশ্চিত করা জরুরী।

Manual3 Ad Code

২. ১৯৮০ সালে বিএনপি জাতীয় সংসদ ন্যায়পাল বিল পাস করে। বিএনপি প্রণিত ন্যায়পাল আইনে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের ন্যায়পাল আইনের বাহিরে রাখা হয়েছে। এদেরকে বাহিরে রাখা সংবিধানের মূল চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। এরূপ ন্যায়পাল দেশবাসী মানে না।

৩. প্রতি বছর সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আয় ও পরিবার-পরিজনদের বিষয় সম্পত্তির হিসাব দাখিল বাধ্যতামূল করণ।

৪. সত্যিকার অর্থে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও দমনের জন্য একটি শক্তিশালী ন্যায়পাল কমিশন গঠন করা প্রয়োজন। ন্যায়পাল সাংবিধানিক পদ বিধায়, উক্তপদে কর্মরত ব্যক্তির অপসারণ বিষয়ে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ যেভাবে অপসারিত হন, অনুরূপ ভাবে তাদের দায় মুক্তি ও চাকুরির নিশ্চয়তা বিধান জরুরী।

Manual8 Ad Code

৫. নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করতে হবে।

৬. হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির মামলা রাজনৈতিক মামলায় গণ্যে প্রত্যাহার করা দেশের জনগণ মানে না। তাই নির্বাহী আদেশে দুর্নীতি মামলা প্রত্যাহার ও শাস্তি মওকুফ করা যাবে না।

৭. বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ আলাদ করার প্রাথমিক প্রদক্ষেপ হিসেবে বিচার বিভাগীয় সচিবালয় অবিলম্বে নির্বাহী আদেশে স্থাপন করা হোক।

নেতৃবৃন্দ বলেন, তাদের দেয়া প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত করলে দেশকে দুর্নীতি মুক্ত করা সম্ভব।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code