Main Menu

আরিফের উচ্চহারের হোল্ডিং ট্যাক্স বাতিল করলেন আনোয়ারুজ্জামান

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিসিকের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর ধার্য করা উচ্চহারের হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন নাগরিক সমাজ। ধার্যকৃত হোল্ডিং ট্যাক্সকে তারা লাগামহীন, অযৌক্তিক ও অন্যায্য বলে দাবি করেন। এ অবস্থায় আরিফের বোঝা কাঁধে নিয়ে নগরবাসীকে স্বস্তি উপহার দিয়েছেন মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর ধার্যকৃত উচ্চহারের অযৌক্তিক হোল্ডিং ট্যাক্স বাতিল ঘোষণা করেছেন মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

শুক্রবার (২৪ মে) রাত ৯টায় সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। এরআগে এদিন সন্ধ্যায় নগরভবনে সাধারণ সভায় বসেছিলেন মেয়র। সেখানে দীর্ঘ আলোচনার পর তিনি পরিষদের সদস্যদের নিয়ে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অযৌক্তিক হোল্ডিং ট্যাক্স বাতিলের ঘোষণা দেন। এসময় রি-অ্যাসেসমেন্টের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, একইসঙ্গে নতুন অন্তর্ভুক্ত ১৫টি ওয়ার্ডের অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রম চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় অব্যাহত থাকবে। বকেয়া দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, কাউন্সিলরদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নাগরিকদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে ২৭টি ওয়ার্ডের হোল্ডিং ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্ট রি-অ্যাসেসমেন্ট বাতিল করে হোল্ডিংসমূহে নতুন করে রি- অ্যাসেসমেন্ট ও একইসঙ্গে নতুন অন্তর্ভুক্ত ১৫টি ওয়ার্ডের অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রম চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, এর আগে আমি নাগরিকদের কাছে বারবার বলেছিলাম যে, জনগণের জন্য অকল্যাণ হয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত আমি নেব না। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে আমার দায়িত্ব তাদের মতামতকে মূল্যায়ন করার। জনগণ ও কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে চলমান অ্যাসেসমেন্ট বাতিল করে নতুন করে রি-অ্যাসেসমেন্ট করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স দেওয়ার জন্য নগরবাসীকে অনুরোধ জানান তিনি।

আমার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে চলমান অ্যাসেসমেন্ট নিয়ে নাগরিকররা খুবই ধৈর্যশীলতার সঙ্গে অনুরোধ রেখেছেন এজন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সিসিক মেয়র।

তিনি আরও বলেন, নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নগরীর কল্যাণে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। জনগণের প্রতিষ্ঠানে জনমত প্রাধান্য পাবে।

Share





Related News

Comments are Closed