সিলেটে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বিনম্র শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করে সিলেটের চৌহাট্টাস্থ শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসন, সিলেট সিটি করপোরেশন, মহানগর পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ও মহানগর ইউনিটসহ বিভিন্ন ব্যক্তি, রাজনৈতিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন ছাড়াও দিনব্যাপী ছিল নানা আয়োজন। সিলেটের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ উপলক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দীকী, এনডিসি বলেন, বাঙালিদের সবচেয়ে বড় অহংকার এবং গৌরব মুক্তিযুদ্ধ। প্রকৃত ইতিহাস না জেনে কেউ মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের অনুসারী হলে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব তাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পৌঁছে দেওয়া।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল যখন মুক্ত হচ্ছে, বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে ১৪ ডিসেম্বর নির্মমভাবে নিহত শহিদ অধ্যাপক ডাক্তার ফজলে রাব্বির কথা উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাযজ্ঞ চালায়। নতুন প্রজন্মকে এঁদের অবদানের কথা জানিয়ে যেতে হবে উল্লেখ করে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ অনুসরণ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে পারলেই তাঁদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে। তিনি শহিদ বুদ্ধিজীবীদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শহিদ পরিবারের শোকসন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসানের সভাপতিত্বে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান, বিপিএম (বার), পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. জোবায়েদুর রহমান পিপিএম-সেবা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক সুবর্ণা সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত চক্রবর্তী জুয়েল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ভবতোষ রায় বর্মণ প্রমুখ।
শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে সিলেটে সর্বত্র জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো গান, আবৃত্তি, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, স্বেচ্ছায় রক্তদান প্রভৃতি কর্মসূচির আয়োজন করে। বাংলাদেশ বেতার সিলেট এ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করে। স্থানীয় সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করে বিশেষ নিবন্ধ।
এছাড়াও জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।
Related News
শিশু ফাহিমা হত্যার দ্রুত বিচার চাইলেন জামায়াত আমির
Manual6 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বাদাঘাটে যৌন নির্যাতন ও খুনের শিকার শিশু ফাহিমাRead More
মে মাসে সিলেটে ১,৬৬৫ জন গ্রেফতার, মাদক ও অবৈধ ভারতীয় পণ্য উদ্ধার
Manual4 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা শাখারRead More



Comments are Closed