শীঘ্রই চালু হবে ঢাকা-গুয়াহাটি বিমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি বলেছেন, বাংলাদেশে উন্নয়ন হচ্ছে। দেশের উন্নয়নে সরকার অনেক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এসব উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সময়মতো শেষ না হলে সংশ্লিষ্টদের শাস্তির আওতায় আনা উচিত।
শুক্রবার (৬ অক্টোবর) সিলেটে চারদিনব্যাপী ১১তম বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ সংলাপের দ্বিতীয় দিনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ ভারতের শিক্ষা সংস্কৃতির সঙ্গে আরও সুসম্পর্ক তৈরি করতে চায়। কেননা, ভারত বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ভাষাগত অনেক বিষয়ে মিল রয়েছে। খুব দ্রুত ঢাকা-গুয়াহাটি বিমান যোগাযোগ চালু হবে।
ভারতের ভিসা পেতে দুর্ভোগ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমাদের তারা অনেক ভিসা দেয়। প্রতিদিন প্রায় নয় হাজার ভিসা দেয়। আমি এবিষয়ে তাদের রাষ্ট্রদূতের সাথে কথা বলেছি। তারা জনবলের সমস্যার কথা বলেছে। এটা তারা সমাধানের চেষ্টা করছে। রাষ্ট্রদূতকে বলেছি, প্রয়োজনে ভিসা সিস্টেমই বাদ দাও। ভারতের সাথে নেপালের ভিসা লাগে না। আমাদের কেন লাগবে।
শুক্রবার সিলেট মহানগরের গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল এন্ড রিসোর্টে ‘বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ সংলাপ’র দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি।
বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর রিজিওনাল স্টাডিজ ও ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত উৎসবে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ভারতের বৈদেশিক সম্পর্ক বিভাগীয় মন্ত্রী ড. রাজকুমার রঞ্জন সিং, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনার মি. প্রনয় ভার্মা, সাবেক মন্ত্রী ভিনসেন পালা, ভারতের সাবেক এমপি স্বপন দাস গুপ্ত, ভারত ফাউন্ডেশনের সদস্য সুরাইয়া দভাল সহ দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
এসময় দুই দেশের নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ-ভারতের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সবক্ষেত্রে ঐক্যের তাগিদ দেন।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সোনালী অধ্যায় রয়েছে। জি-২০’র মাধ্যমে বাংলাদেশ লাভবান হয়েছে। রেল, সড়ক, পানি ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ রয়েছে। আগরতলার সঙ্গে রেললিংক সংযোগ হবে। মোংলা সমুদ্র বন্দর সুবিধার মাধ্যমে বাংলাদেশ আরো লাভবান হবে। বিশেষ করে নেপালের সঙ্গে ভারতের গ্রীড লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ সুবিধার পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। ভারত থেকে সোস্যাল ইকোনোমিক্যালি বাংলাদেশ লাভবান হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মেম্বার অব গভার্মেন্ট কাউন্সিল শ্রীসুরেয়া দোভাল বলেন, বাংলাদেশ -ভারতের কালচারার ও পলিটিক্যাল ইতিহাসের মিল রয়েছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভারতের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ভিনসেন পালা বলেন, বাংলাদেশের সিলেট ও ভারতের শিলংয়ের মধ্যে ব্যবসার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে ব্যবসার ক্ষেত্রে এই দুটি স্থানের ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকা আদান-প্রদান করে থাকেন। যে কারণে আমাদের দুই দেশের মধ্যে টেকনোলজি শেয়ার করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেছে। তাছাড়া চিকিৎসা ক্ষেত্রেও বাংলাদেশীদের আসা যাওযার ক্ষেত্রে ভিসার প্রয়োজনীতা আরো সহজীকরণ এখন সময়ের দাবি। এ ধরণের ডায়লগের মাধ্যমে এসব গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে।
ভারতের সাবেক সংসদ সদস্য স্বপন দাস গুপ্ত বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘ সময়ের সম্পর্ক। এই সম্পর্কটা গুরুত্বপূর্ণ। এরআগে শিলচর কাছাড়ের ডায়লগটাও ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বপুর্ণ সম্পর্ক সুদূঢ় করতে এবং উভয় দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ব্যবসা উন্নয়নের স্বার্থে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এই সংলাপ শুরু হয়েছে।
সংলাপে বাংলাদেশের পক্ষে ৬ জন মন্ত্রী, ২০ জন সংসদ সদস্যসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নিয়েছেন। সংলাপ উপলক্ষে ভারত থেকে ১৪০ জনের প্রতিনিধি দল সিলেটে এসেছেন।
Related News
সিলেটে ঈদের জামাত কোথায় কখন
Manual3 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সিলেটRead More
হঠাৎ মারা গেলেন সিসিক কর্মী মুফাচ্ছির
Manual3 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার সুপারভাইজার মোহাম্মদRead More



Comments are Closed