Main Menu

মিরপুরে সড়কের বেহাল দশা, জনদূর্ভোগ চরমে

জগন্নাথপুর সংবাদদাতা: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের একটি রাস্তা ভাঙাচোরা হওয়ায় এ সড়কে মানুষের চলাচল চরম কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ পল্লি সড়ক অবকাঠামো প্রকল্পের আওয়াত কাজ শুরু হলেও বহু দিন ধরে কাজ বন্ধ থাকায় জনসাধারনের চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে।

জানা যায়, বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ পল্লি সড়ক অবকাঠামো প্রকল্পের আওয়াত আমড়াতৈল, নয়াবন্দর বাজার ভায়া শ্রীরামশি বাজার পুর্ণবাসন প্রকল্পে চার কোটি ৩৩ লাখ ৩৭ হাজার দুইশত ৭৮ টাকা ব্যায়ে সাত আগষ্ট ২০২২ সালে মেসার্স ইসরাত বিল্ডাস কাজ শুরু করে, ৩১ মার্চ ২০২৩ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সময় শেষ হওয়ার পরও কাজের ধীর গতি সকলের মনে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, অসুস্থ রোগীদের এ রাস্তা দিয়ে নিয়ে গেলে রোগী মৃত্যু পথযাত্রী হয়ে যায়। গর্ভবতী মায়েরা এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে সীমাহীন বিড়ম্বনার শিকার হয় এবং আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। বৃষ্টি হলে রাস্তার উপর পানি দীর্ঘক্ষণ জমে থাকে। এই রাস্তা মানুষ ও যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। সড়কটি দিয়ে চলতে গেলে মনে হয় এগুলো রাস্তা নয়, এ যেন মরণফাঁদ, মানুষ মরার গ্যারাকল। জনগণের পথচলার কষ্টের কাহিনী কে শুনবে। প্রয়াত উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর কাজ শুরু হলেও তিনি মারা যাওয়ার পর কাজ বন্ধ থাকায় সকলের মনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে এ কাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার সান্টু রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, দীর্ঘ দিন কাজ বন্ধ থাকার পর আমরা গত সপ্তাহে কাজ শুরু করেছি। রাস্তায় পানি থাকায় কাজ করতে পারছিনা। আগামী সপ্তাহ থেকে পুরোদমে কাজ শুরু করবো।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী সোহরাব হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ কাজের ঠিকাদার সময় মত কাজ করছে না। আমরা বার বার চিঠি দিয়েছি ঠিকাদারের কাজটি বাতিল করার জন্য। এ কাজে বাজে মাল নিয়ে আসে আমরা সেখানে গিয়ে কাজটি বন্ধ করেছি। এটা ঠিকাদারের অবহেলা, আমরা এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি তাঁরা এখন ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Share





Related News

Comments are Closed