ছাতকে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু, আরেক বোন হাসপাতালে
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের ছাতকে বাড়ির পাশে ডোবার পানিতে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। মৃত দুই শিশু উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের মৈশাপুর (মুসলিমকোনা) গ্রামের ময়না মিয়ার মেয়ে। তারা মৈশাপুর কাজী আরিয়ানা জিসান উমাইয়া একাডেমির প্লে-গ্রুপের শিক্ষার্থী।
সোমবার (২৬ জুন) বেলা ৩টায় উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের মৈশাপুর মুসলিমকোনা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। তারা ওই গ্রামের আবুল কালাম ময়নার কন্যা।
জানা যায়, দুপুরে ময়না মিয়ার ৩ মেয়ে মোছা. তাসকিয়া বেগম (১০), মোছা. তানজিনা বেগম (৬) ও মোছা. তাইয়্যেবা বেগম (৮) বাড়ির সামনের রাস্তায় এক সাথে খেলা করছিল। পরিবারের লোকজন তাদের আর খোঁজ খবর রাখেননি। বেলা আনুমানিক ৩টার দিকে জনৈক একজন পথচারি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় খালের পানিতে একটি মেয়েকে ডুবতে দেখে তিনি চিৎকার দিলে আশপাশের বাড়ির লোকজন সেখানে জড়ো হয় এবং এক এক করে ওই তিন কন্যা শিশুদের পানি থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় কৈতক হাসপাতালে। সেখান থেকে তাদেরকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। হাসপাতালে পৌঁছার পর সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাইয়্যেবা বেগম (৮) ও তানজিনা বেগম (৬)কে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তাইয়্যেবা মৈশাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণী ও তানজিনা মৈশাপুর কাজী আরিয়ানা জিসান একাডেমির প্লে’র শিক্ষার্থী ছিল। এছাড়া তাদের বড় বোন মৈশাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাসকিয়া বেগম (১০)কে হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে তার পরিবার সূত্র জানিয়েছে।
পানিতে ডুবে দুই বোনের মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উত্তর খুরমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ।
ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোহাম্মদ মাঈনুল জাকির জানান পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর খবর শুনেছি।
Related News
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা কমপ্লেক্স নির্মাণকাজে অনিয়মের সত্যতা মিলেছে, বন্ধ ঠিকাদারের বিল
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম নির্মাণকাজে অনিয়ম এবং নিম্নমানেরRead More
সুনামগঞ্জে তিন মাসে নিখোঁজের ৩৭ জিডি, ২০ জনই শিক্ষার্থী
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সন্তানকে সকালে স্কুলে পাঠিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারছেন না সুনামগঞ্জের অভিভাবকরা। স্কুলে যাচ্ছেRead More



Comments are Closed