Main Menu

জৈন্তাপুরে ব্যবসায়ী ইউনুছ হত্যা: একজনের মৃত্যুদন্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

Manual1 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের জৈন্তাপুরে তরুণ ব্যবসায়ী ইউনুছ আলী (৩২) হত্যা মামলায় কয়েছ আহমদ নামে এক আসামির মৃত্যুদন্ড ও ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। মামলায় সাত আসামির তিন জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. শাহাদৎ হোসেন প্রামাণিক এ রায় প্রদান করেন।

Manual4 Ad Code

আদালতের বেঞ্চ সহকারী জয়নাল আবেদীন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত কয়েছ আহমদ জৈন্তাপুর উপজেলার উপর শ্যামপুর গ্রামের কুতুব আলীর ছেলে। রায়ে মৃত্যুদন্ডের পাশাপাশি তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অপর ধারায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক অনুমোদন সাপেক্ষে আসামি কয়েছ আহমদের গলায় রশি লাগিয়ে তার মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেন। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত কয়েছ আহমদ রায়ের বিরুদ্ধে ৭ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপীল করতে পারবেন।

Manual4 Ad Code

মামলার অপর আসামি একই উপজেলার হরিপুর গ্রামের ফয়জুল করিমের ছেলে রাসেল আহমদ ও লাল মিয়ার ছেলে জুয়েল আহমদকে ৩০২ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়। এছাড়া পেনাল কোডের ২০১ ধারায় উভয়ের ৩ বছর করে কারাদন্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। তবে উভয় সাজা একত্রে চলবে, এমন রায় দেন বিচারক।

আরেক আসামি একই উপজেলার উপর শ্যামপুর গ্রামের মাহমুদ আলী ওরফে হরু মিয়ার ছেলে বিলাল আহমদকেও ৩০২/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৩০২ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন ৩ জন। তারা হলেন-একই এলাকার ফয়জুল করীম, দেলোয়ার মেম্বার ও এমদাদ।

মামলার বরাত দিয়ে আদালত সূত্র জানায়, জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুরের হাজী ইব্রাহিম আলীর ছেলে ইউনুছ আলী ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন। পরে ৩১ ডিসেম্বর আটক আসামি রাসেল আহমদের দেওয়া তথ্যমতে মরদেহ এলাকার হাজী বরকত উল্লার বাড়ির পেছনের টিলায় মাটিতে পুতে রাখা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদি হয়ে জৈন্তাপুর থানায় এজাহার নামীয় ৫ জনসহ আরো অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

Manual5 Ad Code

মামলাটি তদন্তের পর জৈন্তাপুর থানার উপ পরিদর্শক এসআই ফারুক আহমদ আদালতে ২১ জনের সাক্ষ্য নিয়ে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে তদন্তের জন্য মামলাটি পিবিআইতে যায়। ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি ৩১ জনের সাক্ষ্য নিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পিবিআই’র পরিদর্শক বিনীত কান্ত নাথ।

২০১৯ সালে মামলাটি অত্র আদালতে বিচারের জন্য স্থানান্তর হলে দায়রা ৫১৭/’১৯ মূলে রেকর্ড করা হয়। এরপর ২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি অত্র মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারকার্য শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানী ও ১৮ জন সাক্ষির সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।

 

Manual4 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code