Main Menu

পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: মৃত বেড়ে ৬৮, এখনো নিখোঁজ ৪

Manual8 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় তৃতীয় দিনে আজ আরও ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮ জনে।

মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দিনাজপুরের খানসামা ও বীরগঞ্জ এবং পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ও বোদা উপজেলার বিভিন্ন নদী-উপনদী থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

Manual5 Ad Code

জেলা প্রশাসনের জরুরি তথ্য কেন্দ্রের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ৬৮ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে ঠিক কতজন যাত্রী ছিল, তার সঠিক তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে এখনো চারজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

Manual6 Ad Code

নিখোঁজদের উদ্ধারে কাজ করছে পঞ্চগড়সহ আশপাশের জেলার ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট। এছাড়া রংপুর, কুড়িগ্রাম ও রাজশাহী থেকে আসা তিনটি দলের ৯ জন ডুবুরি উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছেন। আলো থাকা পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলবে।

পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দীপঙ্কর রায় সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এখন পযর্ন্ত ৬৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১৭ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। মরদেহগুলো শনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিখোঁজ বাকিদের উদ্ধারে কাজ চলছে, আলো থাকা পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলবে।

গত রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের আউলিয়া ঘাট এলাকায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।

Manual7 Ad Code

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বোদা উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নের করতোয়া নদীর অপরপাড়ে বদেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া পূজা উপলক্ষে ধর্মসভার আয়োজন করা হয়। ওই ধর্মসভায় যোগ দিতে সনাতন ধর্মালম্বীরা নৌকা যোগে নদী পার হচ্ছিলেন। তবে ৫০ থেকে ৬০ জনের ধারণ ক্ষমতার নৌকাটিতে শতাধিক যাত্রী ছিল। অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে নদীর মাঝপথে নৌকাটি ডুবে যায়। কয়েকজন সাঁতরে তীরে আসতে পারলেও অধিকাংশই পানিতে ডুবে যায়।

মৃতদের মধ্যে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ৪৪ জন, দেবীগঞ্জের ১৮ জন, আটোয়ারীর ২ জন, ঠাকুরগাঁওয়ের ৩ জন ও পঞ্চগড় সদরের একজন রয়েছেন। মৃত ৬৮ জনের মধ্যে নারী ৩০ জন এবং পুরুষ ১৭ জন। বাকি ২১ জন শিশু।

এদিকে, পঞ্চগড়ের বোদায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনা অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটি।

মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দীপঙ্কর রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Manual1 Ad Code

জেলা প্রশাসক দীপঙ্কর রায় বলেন, এ ঘটনার পর তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। আজকের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সব ভিডিও ডকুমেন্টস সংগ্রহসহ প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধার কর্মীদের সঙ্গে কথা হয়েছে। এ ছাড়া নদীর দুই পারের মানুষের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করছি, নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে এ ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে।

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code