Main Menu

সিলেটে স্বর্ণ প্রতারক চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট নগরীতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রীদের স্বর্ণের বার বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে আসছে একটি চক্র। দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করা এ চক্রের বিরুদ্ধে প্রায়ই অভিযোগ উঠে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

গত মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হলেও বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এমন তথ্য বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া শাখা থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ময়মনসিংহ জেলার গৌড়িপুর উপজেলার মোবারকপুর গ্রামের মো. চান মিয়ার ছেলে জজ মিয়া (২৮), সিলেট নগরের খাসদরীর এলাকার আবদুল হাফিজের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩০), আম্বরখানা বড়বাজার এলাকার মৃত বিল্লালের ছেলে সুমন আহমদ (২৩), খাসদবীর বাধন বি-১৮ বাসার বাসিন্দাা বাদল মিয়ার ছেলে হালিম আহমদ (৩০) ও সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার উকিল আলীর ছেলে নুর হোসেন (৩৪)।

পুলিশ জানায় গত ১৭ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার মেইন গেইটের বিপরীতে নুরজাহান হোটেলের সামনে হতে প্রতারক চক্রের ৫ সদস্য অভিনব কায়দায় সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার উত্তর মাঠগাও এলাকার নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী মোছা. বানেছা বেগম (৪৫) এর নিকট হতে ৩ ভরি ওজনের ১টি নকল স্বর্ণের টুকরা (বার) দেখিয়ে সঙ্গে থাকা ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের কানের দুল ও ১২ আনা ওজনের আরেকটি স্বর্ণের চেইন এবং নগদ ১৭ হাজার টাকা নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তিনি স্বর্ণের টুকরা (বার) স্বর্ণকারকে দেখালে স্বর্ণকার জানায় বারটি নকল। এমন প্রতারণার বিষয়টি তিনি পুলিশকে অবহিত করলে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ ইয়াছিন খানের দিক নির্দেশনায় হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই কাজী জামাল উদ্দিন গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টায় প্রতারক চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেন। এরপর ৭ সেপ্টেম্বর ভোক্তভোগি নারী বানেছা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলার প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed