Main Menu

সিলেটে এনজিও কর্মকর্তা খুন, গ্রেপ্তার দুইজনের স্বীকরোক্তি

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে এনজিও সংস্থা সীমান্তিকের কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ। এই নিয়ে খুনের ঘটনায় মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হল। এছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি চাকু। এদিকে তাদের মধ্যে দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

শনিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সটিয়াজুরী গ্রামের মৃত নুর হোসেনের ছেলে সজিব আহমদ সোলেমান (২১) ও সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থানার লিয়াকতগঞ্জ গ্রামের মোস্তফা আহমদের ছেলে জালাল আহমদ (১৯)। সোলেমান খোজারখলায় এবং জালাল ভার্থখলা এলাকায় বসবাস করছিলেন।

জানা যায়, গত ২৪ আগস্ট (বুধবার) রাত সোয়া ৮টার দিকে দক্ষিন সুরমার রেলস্টেশন এলাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে খুন হন মো.আনোয়ার হোসেন (৫১)। তিনি ভোলা জেলার সদর থানার শ্যামপুর গ্রামের মৃত লতিফ শিকদারের ছেলে। সীমান্তিক এর এডমিন এন্ড একাউন্টের সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। সিলেটে তিনি প্রশিক্ষণের কাজে এসেছিলেন।

এ ঘটনায় নিহত আনোয়ার হোসেনের ভাই বাবুল শিকদার বাদী হয়ে ২৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাহফুজুর রহমান বিপ্লব (২০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে। তিনি নগরীর মোমিনখলা এলাকার বাসিন্দা। তাকে আদালতে হাজির করা হলে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

এদিকে, গ্রেপ্তারকৃত বিপ্লবের দেওয়া তথ্যানুসারে হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে পৃথক অভিযান চালিয়ে সোলেমান ও জালালকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সোলেমানের কাছ থেকে দুটি চাকু উদ্ধার করা হয়। আদালতে দুজনেই ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত আছে।

Share





Related News

Comments are Closed