Main Menu

শাবি ছাত্র বুলবুল হত্যায় আরো ২ আসামির স্বীকারোক্তি

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগ কর্মী বুলবুল আহমদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন আরও দুই আসামী।

তারা হলেন- এয়ারপোর্ট থানাধীন টিলারগাঁও গ্রামের গোলাব আহমদের ছেলে কামরুল ইসলাম (২৯) ও মৃত তছির আলীর ছেলে মো. হাসান (১৯)।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) বিকাল ৪টার দিকে তাদেরকে সিলেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট-২ সুমন ভুঁইয়ার আদালতে তোলা হলে ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়।জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের।

এরআগে ২৭ জুলাই একই আদালতে আসামি মো.আবুল হোসেনকে (১৯) তোলা হলে তিনিও ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন। আবুল টিলাগাঁও গ্রামের মো. আনিছ আলীর ছেলে।

এর আগে বুধবার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বুলবুল আহমেদ হত্যা মামলায় কামরুল ইসলাম, আবুল হোসেন ও মোহাম্মদ হাসানকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

এদিকে, বুলবুল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত ২৫ জুলাই রাতে জালালাবাদ থানায় শাবির রেজিস্ট্রার বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (নং- ২৮/১৭৯)।

এদিকে, বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ জানান, ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই বুলবুলকে হত্যা করা করেছে এই তিনজন। তাদের মধ্যে কামরুল ইসলামের বাড়ি থেকে বুলবুলের মোবাইল ফোন ও হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে গাজিকালুর টিলার পাদদেশে ছুরিকাঘাতে মৃত্যুবরণ করেন ২২ বছর বয়সী শাবি শিক্ষার্থী বুলবুল আহমেদ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। হত্যাকাণ্ডের সময় তার সাথে ছিলেন বান্ধবী ঊর্মি। ছুরিকাঘাতে আহত বুলবুলকে ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ঊর্মিও সেখানে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর বুলবুল মৃত্যুবরণ করেন।

Share





Related News

Comments are Closed