Main Menu

ওসমানীনগরে প্রবাসী বাবা-ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের ওসমানীনগরে মারা যাওয়া দুই যুক্তরাজ্য প্রবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) ওসমানীনগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশ কোন ক্লু উৎঘাটন করতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার নিহত রফিকুল ইসলামের শ্যালক দিলোয়ার বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ২১, তারিখ: ২৮-০৭-২০২২ইং।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) মো. রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও তার ছেলে মাইকুল ইসলাম মৃত্যুর ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তদন্তের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমরা তদন্ত করছি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুজনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। এ ছাড়া নিকটাত্মীয়দের পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এখন পর্যন্ত এঘটনায় কাউকে আটক কিংবা কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি।’

তিনি বলেন, নিহতদের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হচ্ছে। আশা করছি দ্রুতই ঘটনার রহস্য উন্মোচন হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ২টায় দয়ামীর ইউনিয়নের পারকুল মাদরাসা মাঠে নিহত বাবা-ছেলের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুর আড়াইটায় তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মারা যাওয়া দুজন হলেন দয়ামীর ইউনিয়নের ধিরারাই খাতুপুর গ্রামের মৃত আবদুল জব্বারের ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী রফিকুল ইসলাম (৫০) ও তার ছেলে মাইকুল ইসলাম (১৬)।

এদিক, ঘটনার ৩দিন অতিবাহিত হলেও মৃত্যুর ঘটনার রহস্য উদঘাটন হয়নি। বুধবার (২৮ জুলাই) বিকেলে নিহত দুই প্রবাসীর লাশ ময়না তদন্ত শেষে নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সকালে সিলেটের ওসমানীনগরের তাজপুর স্কুল রোডের একটি বাসা থেকে এক পরিবারের ৫ যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ওসমানীনগর থানা পুলিশ। হাসপাতালে নেয়ার পর উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের ধিরারাই (খাতিপুর) গ্রামের মৃত আবদুল জব্বারের ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী রফিকুল ইসলাম (৫০) ও তার ছোট ছেলে মাইকুল ইসলাম (১৬) মারা যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রফিকুল ইসলামের স্ত্রী হুছনারা বেগম (৪৫), ছেলে সাদিকুল ইসলাম (২৫) এবং মেয়ে সামিরা ইসলামকে (২০) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে নিহতরে স্ত্রী হুসনেআরা ও ছেলে সাদিকুল ইসলামের শারীরিক অবস্থা ভাল রয়েছে তবে তার একমাত্র মেয়ে সামিরা বেগমের অবস্থা আশংকাজন রয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে নিহত প্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও তার ছেলে মাইকুল ইসলাম নিহত এবং পরিবারের অন্য তিন সদস্য বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার খবর পেয়ে নিহতের দুই ছোট ভাই শফিকুল ইসলাম, বিজেকুল ইসলাম, বোন শাহীনা বেগম ও মা জরিনা বেগম বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেছেন।

 

Share





Related News

Comments are Closed