Main Menu

জাবি শিক্ষক লাঞ্চনার প্রতিবাদে মানববন্ধন

জাবি প্রতিনিধি: যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কর্তৃক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়’র(জাবি) পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক লাঞ্চনার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে জাবি শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদমিনারের সামনে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করে পরিসংখ্যান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তাসলিমা বলেন, ‘একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে আমরা কখনো একজনকে দোষী বলতে পারি না। যে পোস্টটি দেয়া হয়েছে সেখানে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের কোনো তথ্যই ছিলো না। কিন্তু পোস্টটির হ্যাশট্যাগ ছিলো সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট। অথচ সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়লে বুঝা যাবে সেখানে এই সম্পর্কে কোন তথ্য নেই। স্যার যদি দোষী হয়ে থাকেন, শিক্ষার্থী হিসেবে শিক্ষকের উপর হাত তুলার কোন অধিকার রাখে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্যার জাহাঙ্গীরনগরে গত তিন বছর ধরে সম্মানের সাথে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন। এখনো পর্যন্ত এমন কোন শিক্ষার্থী নেই, যে বলতে পারবে স্যার এমন কাজ করতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি স্যার এমন কাজ করে নি। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

এসময় পরিসংখ্যান বিভাগের ৪৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী সোহেল বলেন, ‘একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের অভিযোগ আনা হয়েছে। এটি শুধুমাত্র একটি অভিযোগ, এটি সত্য নাও হতে পারে। এই অভিযোগের সত্যমিথ্যা যাচাই না করে একজন শিক্ষকে যেভাবে হেনস্তা করা হলো, শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করা হলো এটি খুব চিন্তার বিষয়।

এর আগে গতকাল(সোমবার) জাবি শিক্ষক লাঞ্চনার একটি ভিডিও North-south University Student Platform নামক ফেইসবুক পেইজ থেকে ভাইরাল হয়। জাবি পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আতিকুর রহমান নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন ফ্যাকাল্টি হিসেবে কাজ করেন। তাকে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেয়ে শিক্ষার্থী এরাবিকা কফিশপে ডেকে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে সেখানে যৌন-হয়রানির অভিযোগ এনে তার (মেয়ের) কিছু বন্ধু শিক্ষক আতিকুর রহমানকে শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করেন ও সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এই ঘটনায় নর্থ-সাউথ কর্তৃপক্ষ তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কার করেন।

Share





Related News

Comments are Closed