Main Menu

সাবেক এমপি সৈয়দ মকবুল হোসেন আর নেই

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়া আর নেই। বুধবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার স্কয়ার হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তাঁর বড় ছেলে সৈয়দ তানভির হোসেন তার বাবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, আত্মীয়স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার আমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মকবুল হোসেনের ঘনিষ্টজন রুহেল আহমদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। উন্নত চিকিৎসার্থে তাঁকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়া সিলেটের গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিস্টা করেন। নিভৃতচারী দানশীল ব্যক্তি হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন।

ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়ার জন্ম ১৯৪৬ সালে সিলেটের গোলাপগঞ্জের সুন্দিসাইল গ্রামে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে বিএ এবং এমএ পাস করেন। পরবর্তীতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তিনি টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি উপসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করে ব্যবসা শুরু করেন। তার জন্মস্থান সুন্দিসাইল গ্রামে প্রতিষ্ঠাতা করেন ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় ও ডিগ্রি কলেজ। এছাড়া বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা তিনি।

ধনকুবের এ ব্যবসায়ী ১৯৮৬ সালের তৃতীয় ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সিলেট-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ সালে তিনি এরশাদ সরকারের বিরোধিতা করে সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে তিনি জড়িত থাকলেও ১৯৯১ সালের পর যোগ দেন বিএনপিতে। ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এবং ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে একই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন।

Share





Related News

Comments are Closed