হাওরের ফসলে বিপর্যয় এলে আইনের আশ্রয় নেয়ার হুঁশিয়ারি
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: শিগগিরই সুনামগঞ্জে হাওর রক্ষা বাঁধের কাজ শেষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দাবি জানিয়েছে হাওর বাঁচাও আন্দোলন সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি। অন্যথায় হাওরে কোন বিপর্যয় ঘটলে এর দায় কাবিটা স্কীম বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটিকেই নিতে হবে। পাশাপাশি এ বিষয়ে তারা আইনের আশ্রয় নেবারও হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন।
বুধবার (১৬ মার্চ) সুনামগঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতারা এসব কথা বলেন। তারা বলেন, হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ হবার কথা। এরপর ১০ মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়। কিন্তু, নির্ধারিত সময়ের ১৫ দিন অতিবাহিত চললেও এখনো বাঁধের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, এবার বাঁধের কাজে শুরু থেকেই এক ধরনের ঢিলেমি পরিলক্ষিত হয়েছে। মাঠপর্যায়ে গণশুনানি করে প্রকল্প নির্ধারণ ও পিআইসি গঠনের দাবি থাকলেও সেটি করা হয়নি। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পিআইসি গঠন করা হয়। এতে প্রশাসন ও পাউবো কর্মকর্তাদের একটা যোগসাজস থাকে। যে কারণে ওই ব্যক্তিরা কাজে গাফিলতি করেন। তারা বলেন, কাবিটা স্কীম বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটি দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য কৃষকের হাওরের ধানকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছেন। এবার কৃষকের ধান গোলায় তুলতে কোন সমস্যা হলে এর দায় কাবিটা স্কীম বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটিকেই নিতে হবে।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক মিলন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিজন সেন রায়, সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির কার্যকরী সভাপতি অলিউর রহমান বকুল, কেন্দ্রী সাংগঠনিক সম্পাদক একে কুদরত পাশা, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক আনোয়ারুল হক, হাওর বাঁচাও আন্দোলন সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সহ-সভাপতি আলী হায়দার, চন্দন রায়, সদস্য এম আর শামিম, শান্তিগন্জ উপজেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক জিয়াউর রহমান প্রমুখ।
Related News
সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা বাবা ও ছেলের মৃত্যু
Manual3 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের মা, বাবা ওRead More
সুনামগঞ্জে হাসপাতালে একদিনে ৮০২ রোগী ভর্তি, ২৪৪ জনই শিশু
Manual5 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে এক দিনে সর্বোচ্চ ৮০২Read More



Comments are Closed