Main Menu

মধ্যরাতেও ভিসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল শাবি

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত মঞ্চে মিছিল পরবর্তী সমাবেশে একমাত্র দাবি ‘ভিসির পদত্যাগ’ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীরা। পুলিশি হামলার প্রতিবাদ এবং উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে মধ্যরাতেও মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। এ সময় চার শতাধিক শিক্ষার্থী পুরো ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ মিছিল করে।

রবিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত মঞ্চে মিছিল পরবর্তী সমাবেশে একমাত্র দাবি ‘ভিসির পদত্যাগ’ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীরা।

এছাড়াও শিক্ষার্থীরা প্রশাসন ঘোষিত হল বন্ধ ঘোষণা তারা অস্বীকার করে এবং হল থেকে না বের হওয়ার ঘোষণা দেয়।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্টের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাকবিতণ্ডা হয়। শিক্ষার্থীরা প্রভোস্টের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলেন। এ নিয়ে শনিবারও আন্দোলন চালিয়ে যান শিক্ষার্থীরা। ওইদিন শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় হল প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবিসহ তিন দফা দাবি এবং ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে রবিবার ফের উত্তাল হয়ে ওঠে শাবি ক্যাম্পাস। বেলা আড়াইটার দিকে শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ নিজের কার্যালয় থেকে বাসভবনে যাওয়ার পথে আন্দোলনকারীরা উপাচার্যকে ঘিরে ধরে। পরে উপাচার্য এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবনে অবস্থান নেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে তালা লাগিয়ে দেন। বিকাল ৪টার দিকে শতাধিক পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘ক্যাম্পাসে পুলিশ কেন, প্রশাসন জবাব চাই’ ‘পুলিশ তুমি বাসায় যাও, আমার ক্যাম্পাস ছেড়ে দাও’ স্লোগান দিতে থাকেন। বিকাল সোয়া ৫টার দিকে অবরুদ্ধ ভিসিকে উদ্ধার করতে অ্যাকশনে যায় পুলিশ। এ সময় শিক্ষার্থীরা বাধা দিলে পুলিশ লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছুড়ে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে উপাচার্যকে মুক্ত করে তার বাসভবনে পৌঁছে দেয়। পুলিশি হামলায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তাসহ অর্ধশতাধিক আহত হন বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় রবিবার রাতে জরুরি সিন্ডিকেট সভা শেষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। শিক্ষার্থীদের সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed