Main Menu

নদী ভরাট, নৌকায় সাদা পাথরের মূল স্পটে যেতে পারছেনা পর্যটকরা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দেশের পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সেই লক্ষে সিলেট ৪ আসনের সংসদ সদস্য তাঁর নির্বাচনী এলাকাকে পর্যটনবান্ধব করে গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তার হাত ধরে মাত্র ৪ বছরে কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর পর্যটন কেন্দ্রের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও।

অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাদা পাথর দেখতে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষের সমাগম হয়। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী এই সময়ে দর্শনার্থীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়।

বর্তমানে দেশের জনপ্রিয় এই পর্যটন কেন্দ্র তার জৌলুস হারাচ্ছে নদীর নাব্যতা সংকটের কারণে। নদীর বালু সরিয়ে নৌকা চলাচলের উপযোগী করতে ইজারাদার চেষ্টা করলেও বিজিবির বাধায় তা করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন তারা। প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে এস্কেভেটর অথবা শ্যালো মেশিন চালিত যন্ত্র দিয়ে বালু সরিয়ে নৌকা চলাচলের পথ স্বাভাবিক রাখলেও এবার তা করতে পারছেন না। এতে প্রতিদিন বিরাট অঙ্কের লোকসান গুনতে হচ্ছে ইজারাদারদের। নৌকা দিয়ে সাদা পাথরের মূল স্পটে যেতে না পেরে অনেকেই ফিরে আসেন ঘাট থেকে। তবে শুক্র ও শনিবার পর্যটকদের চাপে সীমান্ত এরিয়া দিয়ে পায়ে হেঁটে স্পটে যাওয়ার সুযোগ দিতে বাধ্য হন তারা। এতে করে সীমান্ত এরিয়ার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বিজিবি।

বিজিবি বলছে কর্তৃপক্ষের নিষেধে সেখানে বালু সরাতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ১৪২৮ বাংলা সনের জন্য ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে লিজ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

ইজারাদার বলছেন করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমানে পর্যটকরা আসতে শুরু করেছে। এখন যদি তারা মুল স্পটে যেতে না পারে তাহলে সাদা পাথরের জৌলুশ হারিয়ে যাবে। পর্যটকরা এখানে আসতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

নৌকা ঘাটের ইজারাদার দেলোয়ার মাহমুদ রিপন জানান, আমরা নদীতে নৌকা চলাচলের উপযোগী করতে খনন করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। বিজিবির বাধার কারণে আমরা খনন করতে পারিনি। এতে করে আমাদের মোটা অংকের লোকসান গুনতে হচ্ছে।

সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আহমেদ শরিফ বলেন, কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞায় খনন করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলতেও বলেন তিনি।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আনোয়ার সাদাতের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে আমার জানা নাই। নৌকা চলাচলের জন্য তারা খনন করতে চাইলে লিখিতভাবে দিলে আমরা বিষয়টি দেখব। আর বিজিবি কেন নিষেধ দিচ্ছে সেটিও দেখতে হবে। পুরো বিষয়টি জেনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

Share





Related News

Comments are Closed