Main Menu

ওসমানী হাসপাতালে বধির শিশুদের চিকিৎসা ইউনিটের উদ্বোধন

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের চিকিৎসাক্ষেত্রে সূচিত হলো এক নতুন অধ্যায়ের। জন্মবধির শিশুদের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন আশার দুয়ার যেনো খুলে দিল। কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট প্রজেক্টের আওতায় জন্ম বধির শিশু ও মারাত্মক বধিরদের কানে শোনার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে ওসমানীর নাক-কান-গলা এবং হেড-নেক সার্জারী বিভাগ।

বুধবার (১৭ নভেম্বর) বেলা ১২ টায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান-গলা বিভাগের আওতাধীন বহুল প্রত্যাশিত কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট প্রজেক্টের অডিওলজী এবং অডিও ভারবাল থেরাপী ইউনিটের উদ্বোধনের মাধ্যমে এই নতুন অধ্যায়ের সূচনা করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ময়নুল হক বলেন – ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন ইতিহাসের সুচনা হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্তে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারীর মাধ্যমে অত্র অঞ্চলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে।

ওসমানী হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জে. ব্রায়ান বঙ্কিম হালদার বলেন – যারা কানেও শুনেন না তারা কথাও বলতে পারেন না। এই আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে শোনা ও কথা বলার সমস্যার সমাধান সম্ভব।

অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মনিলাল আইচ বলেন – রোগী বাছাই ও অপারেশন পরবর্তী অডিওভারবাল থেরাপি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, অন্যথায় এই অপারেশনের ভালো ফলাফল সম্ভব নয়।

সূচনা বক্তব্যে কর্মসূচী পরিচালক ডা.নূরুল হুদা নাঈম বলেন- কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট কার্যক্রম সরকারের এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।শারীরিক কোনো প্রতিবন্ধিতা না থাকা সত্বেও শুধুমাত্র কানে কম শোনা এই দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার এ কার্যক্রম সরকারের দূরদর্শিতার পরিচায়ক। তিনি সরকারের কাছে আবেদন জানান নিওনেটাল হিয়ারিং স্ক্রিনিং আমাদের প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করতে পারলে দেশের জনগণ আরও উপকৃত হবে।

কার্ডিওলজির সহকারী অধ্যাপক আজিজুর রহমান রোমান বলেন- বঙ্গবন্ধু তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের সেবা করে যাচ্ছেন। তারই অংশ হিসেবে আজ কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট প্রকল্প চালু হলো।

সিলেট সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক রফিক আহমদ বলেন – সমাজকল্যাণ মন্রণালয় প্রায় বারো(১২) ধরনের প্রতিবন্ধীদের জন্য কাজ করে আসছে। এই কার্যক্রম চালুকরণের মাধ্যমে এতদঞ্চলের অসহায় রোগীরা সহজে এই সেবা গ্রহণ করতে পারবে।

পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. এম নুরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে অত্র হাসপাতালের অন্যান্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ ছাড়াও ইএনটি বিভাগের সকল শিক্ষক, চিকিৎসক ও নার্সবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Share





Related News

Comments are Closed