Main Menu
শিরোনাম
সিলেটের তিন উপজেলায় নেই সিএনজি ফিলিং ষ্টেশন         ডা. সিকান্দার-সবতেরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্বোধন         বাউল কামাল পাশার ১২০তম জন্মবার্ষিকী পালিত         সিলেটে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১জন নিহত         বগির জয়েন্ট খুলে হঠাৎ দুই ভাগ চলন্ত ট্রেন         বেফাঁস মন্তব্যে বহিষ্কৃত গোলাপগঞ্জ পৌরসভার মেয়র রাবেল         গোয়াইনঘাটে ২২৫ বোতল বিদেশী মদসহ গ্রেপ্তার ৩         গোলাপগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে পল্লী বিদ্যুৎতের লাইনম্যানের মৃত্যু         ছাতকে রুহুল আমিন ফাউন্ডেশনের ৫ম বর্ষপূর্তি পালিত         নৌপথে ভারতে প্রবেশের দায়ে পাথর বোঝাই ট্রলার জব্দ         জৈন্তাপুরে স্কুলছাত্রের উপর চোরাকারবারীদের হামলা         ডা. সিকান্দার-সবতেরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু সোমবার        

দেশে ফিরল ভারতে পাচার ২০ নারী-শিশু

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন সময় ভালো কাজের প্রলোভনে ভারতে পাচার হওয়া ২০ বাংলাদেশি নারী ও শিশুকে উদ্ধারের পর দেশে ফেরত পাঠিয়েছে কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের কর্মকর্তারা। ২ থেকে ৯ বছর আগে এরা দেশের বিভিন্ন সীমান্ত পথে ভারতে পাচারের শিকার হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এসব নারী ও শিশুদের ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ট্রাভেল পারমিটে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে হস্তান্তর করা হয়। এ নিয়ে গত এক মাসে ভারতে পাচার হওয়া ৮৩ জন বাংলাদেশি নারী ও শিশু উদ্ধারের পর ফেরত এলেন দেশে।

পাচার প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করা এনজিও সংস্থা জাস্টিস এন্ড কেয়ার ২০ জনের মধ্যে ১২ জনকে বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি ও রাইটস যশোর ৪ জনকে গ্রহণ করেছে আইনি সহায়তা আর কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে।

কলকতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের (ফাস্ট সেক্রেটারি পলিটিক্যাল-১) শামিমা ইয়াসমিন স্মৃতি জানান, উদ্ধারের পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সেভ হোমে এসব নারী ও শিশুরা ছিল। ভাল কাজের প্রলোভনে এবং অবৈধ ভাবে সীমান্ত পথে ভারত প্রবেশ করে এরা আটক হয়েছিল। বাংলাদেশের এনজিও সংস্থা সদস্যদের কাছে নারী ও শিশুদের তুলে দেওয়া হচ্ছে। তারা এসব শিশুদের তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেবে।

জাস্টিস এন্ড কেয়ারের সিনিয়র প্রোগ্রামার অফিসার মুহিত হোসেন জানান, সংসারে অভাব অনটনের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময় ভালো কাজের কথা বলে দালালরা এদের ভারতে পাচার করে। পরে ভালো কাজ না দিয়ে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ব্যবহার করে। পরে ভারতীয় পুলিশ খবর পেয়ে তাদের পাচারকারীদের খপ্পর থেকে উদ্ধার করে আদালতে পাঠায়। সেখান থেকে তাদের আশ্রয় হয় ভারতীয় এনজিও সংস্থার শেল্টার হোমে।

পরে উদ্ধারকৃতরা বাংলাদেশি কিনা তা যাচাই করে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ট্রাভেল পারমিটে এরা ফিরে আসছে। এদেরকে আইনি সহায়তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য কাজ করবে এনজিও সংস্থাগুলো।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি মুজিবর রহমান জানান, ২০ নারী ও শিশুকে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষে বন্দর থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে ৩টি এনজিও শিশুদের আইনি সহায়তা দিতে গ্রহণ করেছে।

ফেরত আসা ২০ নারী ও শিশুরা হলেন- লক্ষ্মীপুরের আদনান হোসেন, নোয়াখালীর বাপি ধর, নড়াইলের রাবেয়া খাতুন, রাফিজান খাতুন, হাসিব ফকির, সুমন মোল্লা, সবুজ মোল্লা, বৃষ্টি খাতুন, ইমদাদুল হোসেন, জুনায়েদ শেখ, আলাউদ্দিন শেখ, নারায়ণগঞ্জের সুইটি, যশোরের ঈশিতা, নুর খাতুন, সুমি খাতুন, বাগেরহাটের হাসান, বরিশালের মেঘলা রায়, সাতক্ষীরার ছামিয়া খাতুন, খুলনার সাজিত ঢালী, শেরপুরের মৌসুমি। সূত্র: সময় টিভি

0Shares





Related News

Comments are Closed