Main Menu

মাধবপুর থানায় নারীর বিষপান, তোলপাড়

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: হবিগঞ্জের মাধবপুর থানায় পুলিশ কনস্টেবলকে না পেয়ে নারীর বিষপানের ঘটনায় তোলপাড় চলছে। ওই মহিলাকে ভর্তি করা হয়েছে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মাধবপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক।

পুলিশ সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে আনোয়ারা বেগম (৩২) নামের এক নারী মাধবপুর থানায় কর্মরত কনস্টেবল বাবুল মিয়ার সন্ধানে আসেন। কিন্তু কনস্টেবল বাবুল মিয়া তার দেশের বাড়ি কুমিল্লা থাকায় তার সঙ্গে দেখা হয়নি। এ সময় পুলিশ কোনও অভিযোগ থাকলে থানায় জানানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু কোনও কিছু না বলে থানা কক্ষ থেকে বের হয়ে যান। এর পর বেলা আড়াইটার দিকে ব্যাগে থাকা বিষের বোতল বের করে থানা প্রাঙ্গণে তা পান করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। প্রথমে পুলিশ তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে এবং পরে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Manual8 Ad Code

আনোয়ারা বেগম কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার দক্ষিণ রাজারকুল গ্রামের দিদারুল ইসলামের স্ত্রী।

আনোয়ারা বেগমের স্বামী দিদারুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘কনস্টেবল বাবুল মিয়া কক্সবাজার আদালতে কর্তব্যরত থাকা অবস্থায় আনোয়ারার সঙ্গে পরিচয় হয়। এই সূত্রে তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেন পুলিশের এ কনস্টেবল। সম্প্রতি আমি টাকার বিষয়টি জানতে পারলে আমাদের মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। পরে ওই টাকা আদায়ের উদ্দেশে সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাধবপুর থানার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়।’

Manual5 Ad Code

কনস্টেবল বাবুল মিয়া বলেন, ‘কক্সবাজার আদালতে চাকরির সুবাদে আনোয়ারার সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয়ের ফলে তার পরিবারে আমার যাতায়াত ছিল। কিছু টাকা আনোয়ারা আমাকে ধার দিয়েছিলেন।’

মাধবপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘ওই নারী থানায় আসার পর তার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু তিনি তড়িঘড়ি করে থানা প্রাঙ্গণে বিষপান করেন। তিনি বলেন, ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই নারী বর্তমানে সুস্থ আছেন। কনস্টেবল বাবুলের সাথে ওই নারীর আর্থিক লেনদেন ছিল জানিয়ে ওসি বলেন, তার বিরুদ্ধে পুলিশ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

Manual7 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code