Main Menu

জগন্নাথপুরে প্রবাসী বশর মিয়াকে নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ

Manual5 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর পৌরসভার কেশবপুরের যুক্তরাজ্য প্রবাসী বশর মিয়া একজন সম্মানি, সালিসান ও দানশীল ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে একটি অপরাধী চক্র মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করছে। নিজেদের অপরাধ ঢাকতে তারা এসব করছে।

Manual8 Ad Code

মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন প্রবাসী বশর মিয়ার আত্মীয় রাজনীতিবিদ সাইদুর রহমান চৌধুরী রূপা।

তিনি লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৭ আগস্ট কেশবপুর বাজার থেকে জাহাঙ্গীর নামের এক যুবককে র‌্যাব বিদেশি রিভলবারসহ আটক করে। এ ঘটনায় এলাকায় স্বস্থি ফিরে আসে। কিন্তু জাহাঙ্গীরের ভাই আলমগীর ১০ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে প্রবাসী বশর মিয়াসহ তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে নানা মিথ্যাচার করে। অথচ জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অভিযোগ ও মামলা রয়েছে। এমনকি সে তার পিতাকে মারধরের মামলারও আসামী। নামমাত্র কেশবপুর বাজারে পানের দোকান দিয়ে সে নানা অপরাধের সাথে জড়িত। এসব কিছুর পেছনে প্রবাসী আফতর আলীর হাত রয়েছে উল্লেখ করে রুপা দাবি করেন, আফতর আলী প্রবাসী হলেও একজন প্রতারক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামী। দেশে বিদেশে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ও একাধিক মামলা রয়েছে। ২০১০ সালে তিনি গ্রেপ্তারও হন। শুধু মামলা নয়, তার বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর লন্ডন প্রবাসী ধলা মিয়ার ১০ হাজার পাউন্ড, উপজেলার ডা. হাসিমের ১ লাখ টাকা, পাটলি গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী জমির উদ্দিনের ২ হাজার ২০০ পাউন্ড, ছাতক উপজেলার কামারগাঁও গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী আঙ্গুর মিয়ার ২ হাজার পাউন্ডসহ বেশ কিছু লোকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

Manual3 Ad Code

বক্তব্যে বলা হয়, আফতর আলীর মদদে জাহাঙ্গীর এলাকায় নানা অপরাধ করে আসছে। অথচ সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি বশর মিয়া ও তার ভাই মজিদ মিয়াকে থানায় দালালীসহ বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়েছে। যা একেবারেই হাস্যকর। তার বিরুদ্ধে গাড়ি পোড়ানোর যে অভিযোগের কথা বলা হয় তা মূলত আফতর আলীর ভাবি সাফিয়া বেগমকে শত্রুতা বশত করেন। ওই মামলা তদন্তে তা মিথ্যা প্রমান হয়েছে। এছাড়া যে মাদ্রাসা তারা প্রতিষ্ঠা করেন তার টাকা আত্মসাতের বিষয়টিও হাস্যকর।

Manual2 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে একজন প্রবীণ যুক্তরাজ্য প্রবাসীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা নুরুল আমিন, রেজাউল ইসলাম ও আবুল খায়ের।

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code