হাইতিতে ভূমিকম্পে মৃত্যু ১৪০০ ছাড়াল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শক্তিশালী ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হাইতি। সেখানে সৃষ্টি হয়েছে মানবিক বিপর্যয়ের। মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এরই মধ্যে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪১৯ জনে। আহত হয়ে কাতরাচ্ছেন সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ।
শক্তিশালী ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হাইতি। সেখানে সৃষ্টি হয়েছে মানবিক বিপর্যয়ের। মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এরই মধ্যে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪১৯ জনে। আহত হয়ে কাতরাচ্ছেন সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ। বিধ্বস্ত হয়েছে সাড়ে ১৩ হাজার ঘরবাড়ি। আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন ৩০ হাজারের বেশি মানুষ। রাত কাটছে খোলা আকাশের নিচে।
হাইতি যেন এখন ধ্বংসস্তূপের দেশ। শনিবারের শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। তবে মরদেহই মিলছে কেবল। প্রাণের আর দেখা মিলছে না।
স্থানীয় নাগরিকরা বলেন, প্রাণে বাঁচতে পেরেছি, এটাই আপাতত সৌভাগ্য। যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলাম তাতে বেঁচে থাকার কথা নয়। অনেকেই নিখোঁজ আছেন। জানি না তারা বেঁচে আছেন কিনা।
৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে ধ্বংস হয়ে গেছে বসত-বাড়ি, গির্জা ও স্কুল। সাড়ে ১৩ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। অনেক হাসপাতাল রোগীতে ভরে গেছে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সরবরাহ প্রয়োজন।
গত মাসে প্রেসিডেন্টকে হত্যার পর রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই নতুন করে আবার এ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ল দরিদ্র দেশটি। হাইতির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, বিশেষ করে লি কায়ে শহরটির আশপাশে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে।
মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল সেন্ট লুই ডু সুড শহর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে। তবে কম্পন প্রায় ১২৫ কিলোমিটার দূরের জনবহুল রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্স এবং প্রতিবেশী দেশগুলোতেও অনুভূত হয়েছে।
ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে এক মাসের জরুরি অবস্থা জারি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরি।
টুইটারে প্রধানমন্ত্রী হেনরি বলেছেন, ভয়াবহ এ ভূমিকম্পে বিভিন্ন প্রদেশে বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক ও মানবিক সংকটে জর্জরিত ক্যারিবীয় অঞ্চলের দরিদ্র এ দেশটি ফের আরেকটি শোচনীয় ঘটনার মুখোমুখি হলো।
১১ বছর আগে ৭ মাত্রার এক ভূমিকম্পে হাইতিতে প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া প্রায় ৩ লাখ মানুষ ওই ভূমিকম্পে আহত হয়। ২০১০ সালের ওই ভূমিকম্পের ক্ষত এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি হাইতি। দেশটির অবকাঠামো ও অর্থনীতিও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ে।
Related News
পুরুষদের প্রজনন সক্ষমতা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
Manual5 Ad Code আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পুরুষের শারীরিক গঠন, প্রজননক্ষমতা ও সামগ্রিক সুস্থতার জন্য টেস্টোস্টেরন হরমোনRead More
পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিতে ছাদ ধসে নারীসহ ১০ জনের মৃত্যু
Manual6 Ad Code আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে ভারি বর্ষণের সময় একটি বাড়িরRead More



Comments are Closed