জাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনে লড়বে ১৬৩ জন
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষে ভর্তির জন্য তিন লাখ ৭ হাজার ৯৭৮ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছে। যা গত বছরের তুলনায় ৫১ হাজার ৯৮৪ জন কম। ১ হাজার ৮৮৯টি আসনের বিপরীতে করা এ বছরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতি আসনে লড়বে ১৬৩ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী।
রোববার (১৫ আগস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) ও কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আবু হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আবু হাসান জানান, গত ২০ জুন থেকে অনলাইনে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে ১৪ আগস্ট রাতে শেষ হয়। এ বছর ভর্তিচ্ছুরা মোট ৯টি ইউনিটের জন্য পৃথকভাবে ফরম পূরণ করেছে।
অনলাইনে ভর্তির জন্য আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হলেও কবে নাগাদ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে বলতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তবে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ইঙ্গিত পেলে যত দ্রুত সম্ভব ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন আবু হাসান।
এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর গত বছরের মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক দফা চেষ্টা চালালেও পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় দফায় দফায় ছুটি বাড়ছে। লকডাউন শেষে গত ১১ অগাস্ট থেকে সব কিছু চালু হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে আগেই জানিয়েছে সরকার। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আসলে কবে খুলবে তা এখনও নিশ্চিত নয়।
রোববার (১৫ আগস্ট) সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এ বিষয়ে সরাসরি কোনো দিনক্ষণ উল্লেখ না করে দুটি বিষয়ের ওপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নির্ভর করছে বলে জানান তিনি।
আলোচিত দুই বিষয় হলো-করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে আসা ও শিক্ষার্থীদের টিকাদান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখন মহামারির যে পরিস্থিতি তাতে কবে নাগাদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে সেটি বলার সুযোগ নেই। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শনাক্তের হার শতকরা ৫ শতাংশের কম হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া যায়। আমরা এটি মাথায় রাখছি। এখন যেহেতু ব্যাপকহারে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে, সেক্ষেত্রে ৫ শতাংশ না হলেও সংক্রমণ যথেষ্ট পরিমাণ নিচে নামলে হয়ত শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে নিয়ে আসতে পারব।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, ১৮ বছরের ঊর্ধ্বের শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের টিকা দেওয়ার কাজও প্রায় শেষ। আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকাংশও টিকা পেয়েছেন। এখন দুইটা বিষয়- সংক্রমণের হার কমে যাওয়া আর সবাইকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা। এ দুটো যখন হবে, তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে ভাবা যাবে।
ডা. দীপু মনি বলেন, সংক্রমণের হার একেবারেই কমে আসলে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একসঙ্গে খুলে দেওয়া হবে। যদি ধীরে ধীরে কমে সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা যেহেতু আগে টিকা পাবে, তাই বিশ্ববিদ্যালয় আগে খুলে দেওয়া হবে। খোলার পর বিশেষ করে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের একেবারে পাঁচ-ছয়দিন নিয়ে আসব তা না, ধাপে ধাপে নিয়ে আসা হবে। কারণ শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের এখানে বেশি। সংক্রমণ কমলেও আমাদের বহুদিন মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। সেসব বিবেচনা করেই আমরা পরিকল্পনা করছি।
Related News
জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ফেলোশিপে শাবিপ্রবির ২৫ শিক্ষার্থী
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ফেলোশিপ-২০২৬-এর জন্য শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২৫ শিক্ষার্থীRead More
সিলেট শিক্ষা বোর্ডে এসএসসির পূণঃনিরীক্ষণে আড়াই হাজার শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরিক্ষার উত্তরপত্র পূণ:মূল্যায়নে ফেল থেকে পাস করেছেন ১৮৬Read More



Comments are Closed