Main Menu
শিরোনাম
মামুনুলকে নিয়ে পোস্ট, ৬ মাস পর কারামুক্ত ঝুমন         করোনা টিকার সাথে খাবার দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান         ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং সংগ্রাম পরিষদের স্মারকলিপি পেশ         সিলেটে মৃত্যুহীন দিনে ২৬ জনের করোনা শনাক্ত         সিকৃবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপিত         বিশ্বনাথে পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিবাদ সভা         নাজিরবাজার মাদরাসায় দারসে বুখারি ও দোয়া মাহফিল মঙ্গলবার         কানাইঘাটে ৫ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ         মাধবপুরে সড়কদূর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৪         কমলগঞ্জে সবজি ক্ষেত থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার         বিশ্বনাথে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী নিখোঁজ         বড়লেখায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু        

শাহজালাল সার কারখানার ৩৯ কোটি টাকা আত্মসাত, দুদকের মামলা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ভূয়া বিল ভাউচার দিয়ে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্চে নির্মিত শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিডেটের ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতাও পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে দুদকের পক্ষ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুদকের সিলেট জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে এই মামলা দায়ের করা হয়। বুধবার সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এই মামলার এজাহার জমা দেওয়া হয়েছে।

মামলায় শাহজালাল সার কারখানার দুই কর্মকর্তা (বহিস্কৃত) ও ৮ জন ঠিকাদারকে আসামি করা হয়েছে।

আসামিরা হলেন শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরির সহকারী প্রধান হিসাব রক্ষক (বহিস্কৃত) খন্দকার মুহাম্মদ ইকবাল, রসায়নবিদ (বহিস্কৃত) নেছার উদ্দিন আহমদ, ঠিকাদার মোছাম্মৎ হালিমা আক্তার, মো. নূরুল হোসেন, এএসএম ইসমাইল খান, সাইফুল হক, নাজির আহমদ (বচন), মো. হেলাল উদ্দিন, মো. জামশেদুর রহমান খন্দকার ও মো, আহসান উল্লাহ চৌধুরী।

মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের সিলেট জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ পরিচালক নুমেরী আলম বলেন, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর থেকে আমরা তদন্ত শুরু করি। দীর্ঘ ছয় মাস তদন্ত করে প্রায় ৩৯ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। এরপর মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়। বুধবার সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এজাহার জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মামলা দায়েরের পর এখন অধিকতর তদন্ত চলবে। তদন্তে অর্থ আত্মসাতের সাথে আরও কারো সমম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাকেও আসামি করা হবে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সার কারখানার বহিস্কৃত দুই কর্মকর্তা ৮ ঠিকাদারদের যোগসাজশে প্রতারণা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ভূয়া বিল-ভাউচার তৈরী করে ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২৪ হাজার ৯০২ টাকা আত্মসাত করেন।

এ ব্যাপারে শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরির কারও বক্তব্য জানা যায়নি। তবে ফ্যাক্টরির একটি সূত্র জানিয়েছে, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পরই দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে জরাজীর্ন হয়ে পড়া প্রাকৃতিক গ্যাস সারকারখানা (এনজিএলএফ) দীর্ঘদিন ধরে লোকসান গোণায় এই কারখানার পাশেই প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে শাহজালাল সার কারখানা নির্মান করা হয়। ২০১৭ সালে প্রথম বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে শাহজালাল সারকারখানা লিমিটেড। তবে নানা কারণেই উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পুরণে ব্যর্থ হচ্ছে এই কারখানা।

0Shares





Related News

Comments are Closed