মঙ্গলবার থেকে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে ঈদ উল আজহাকে বিবেচনায় নিয়ে আগামীকাল (১৩ জুলাই) থেকে আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট অনলাইন ও মুঠোফোন অ্যাপে বিক্রি করা হবে।
সোমবার (১২ জুলাই) রেলওয়ের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
রেলওয়ে জানায়, আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) হতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলাচল করবে। করোনার কারণে ট্রেনের আসনসংখ্যার অর্ধেক ফাঁকা রাখার সিদ্ধান্ত বহাল আছে। তবে বাকি অর্ধেক আসনের টিকিট অনলাইন ও মুঠোফোন অ্যাপে ১৩ জুলাই থেকে বিক্রি করা হবে। যাত্রীরা আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট কিনতে পারবেন। কেউ টিকিট কিনে ফেরত দিতে চাইলে যথাযথ নিয়মে রিফান্ড করা হবে।
অনলাইন বা কাউন্টারে যেকোনো মাধ্যমে নির্ধারিত কোটার টিকিট অবিক্রীত থাকলে যাত্রার ৪৮ ঘণ্টা আগে অন্য মাধ্যমের কোটায় চলে যাবে। অর্থাৎ কাউন্টারের কোটার টিকিট বিক্রি না হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা অনলাইন কোটায় চলে যাবে। একইভাবে অনলাইনের টিকিট কাউন্টারে সরবরাহ করা হবে।
এদিকে করোনাভাইরাস রোধে আগামী ১৫ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত আটদিন শর্তসাপেক্ষে চলমান বিধিনিষেধ শিথিল করা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সোমবার (১২ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) সুরথ কুমার সরকার স্বাক্ষরিত সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এদিকে করোনা সংক্রামণ প্রতিরোধে রেলওয়ে যাত্রীদের জন্য কিছু বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করে।
রেলওয়ের নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে :
কোন প্রকার ভাড়া বৃদ্ধি করা হবে না।
প্রতিটি ট্রেনের টিকিট অনলাইনে বিক্রয় করা হবে। নন কম্পিউটারাইজড স্টেশনের টিকিট ওই স্টেশন কাউন্টার হতে ক্রয় করতে হবে।
সকল অগ্রিম টিকিট যাত্রার ৫ (পাঁচ) দিন পূর্বে ক্রয় করতে পারবেন।
অনলাইনে ক্রয়কৃত টিকিট ফেরত দেয়া যাবে না।
কমিউটার ট্রেনের টিকিট যথারীতি নির্দিষ্ট বক্স কাউন্টার হতে দেয়া হবে।
আসনবিহীন টিকিট বিক্রয় বন্ধ। তাই অযথা কাউন্টারে ভিড় করা থেকে বিরত থাকুন।
ট্রেনে ভ্রমনিচ্ছুক যাত্রীদের নিজ নিজ টিকিট নিশ্চিত করেই কেবল ট্রেনে ভ্রমণের জন্য অনুরোধ করা হলো। টিকিটবিহীন কোন যাত্রী স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারবেন না।
ট্রেনে প্রতিনিয়ত বিশেষ চেকিং অভিযান চলছে, তাই বিনাটিকেট ট্রেন ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকুন। এক্ষেত্রে কারো সাথে অবৈধ লেনদেন করবেন না।
ট্রেনে প্রবেশ ও বাহিরের জন্য ভিন্ন ভিন্ন দরজা ব্যবহার করতে হবে।
বিশেষ প্রয়োজন ব্যতীত রেলভ্রমণ করবেন না।
অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মাস্ক ব্যতীত কোন যাত্রীতে স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে দেয়া হবে না।
নির্দিষ্ট বিনে ময়লা ফেলুন।
Related News
বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা
Manual3 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে এসে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।Read More
ভ্যাটের আওতায় আসছে মুদি দোকান-বিউটি পার্লারসহ ১৬ ব্যবসায়িক খাত
Manual5 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মুদিদোকান ও বিউটি পার্লারসহ বেশ কয়েক ধরনের নতুন ব্যাবসায়িকRead More



Comments are Closed