Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে করোনায় ১ জনের মৃত্যুর দিনে শনাক্ত ৪         শনিবার গ্যাস থাকবে না মৌলভীবাজারের ৩ উপজেলায়         সিলেটে করোনায় আরো ১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩         জকিগঞ্জে নাশকতা, অজ্ঞাত ৫শ’ জনের বিরুদ্ধে মামলা         ছেলে হত্যা, আপস না করায় বাবাকেও পিটিয়ে হত্যা!         সিলেটে হচ্ছে নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র         ছাতকে ৩৪ বোতল ভারতীয় মদসহ গ্রেফতার ১         শাহ আরেফিন টিলা থেকে ২৫১ কোটি টাকার পাথর লুট, দুদকের মামলা         দক্ষিণ রণিখাই ইউপির আ’লীগ প্রার্থী সাবেক শিবির নেতা, মনোনয়ন পুনবিবেচনার দাবি         বালাগঞ্জের ৬ ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত         মৌলভীবাজারে চালু হলো পর্যটক বাস সার্ভিস         সিলেটে করোনায় ১৬ জন শনাক্তের দিনে সুস্থ ২৩        

মানব পাচার ভয়ংকর অপরাধ

মুহাম্মদ মনজুর হোসেন খান: মানব পাচার একটি জাতীয় সমস্যা, যা মানবীয় মর্যাদার প্রতি এক চরম আঘাত। মানব পাচারে দুই বা ততোধিক রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা দেখা যায়। তবে সম্প্রতি মানব পাচার নিয়ে যে পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে তা বাংলাদেশ, ময়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত প্রসারিত । বিশ্বব্যাপী এ মুহূর্তে যে সমস্যা মারাত্মকরূপ ধারণ করেছে তা হচ্ছে মানব পাচার। বাংলাদেশের অদক্ষ জনসংখ্যা ও দারিদ্র্য, শিক্ষা ও সচেতনতার অভাব, সমাজে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তাহীনতার বহুমাত্রিক হেতু, পেশা ও কর্মের অবাধ সুবিধাহীনতা বেশি বেতনে চাকরির প্রলোভন ও উন্নত জীবন যাপনের আকাক্সক্ষা, মাদক ও যৌন ব্যবসা, সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা ইত্যাদি বহুবিধ কারণে সম্প্রতি মানব পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে।

মানব পাচার রোধে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আইন ও ঘোষনা রয়েছে। মানব পাচার যে কারনেই হোক এটা নৈতিকতা আইন ও ধর্ম কর্তৃক অসমর্থিত। ইসলাম মানুষকে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা ইত্যাদি মৌলিক অধিকার প্রদানের পাশাপাশি জীবন, সম্পদ, মর্যাদার নিরাপত্তা প্রদান করেছে। ইসলামের পরিবার ব্যবস্থাও একটি দুর্গ।

পাচার শব্দের অর্থ গোপনে অপসারণ, চুপি চুপি সরিয়ে ফেলা, চুরি করে নিঃশেষকরণ,সাবাড়,খতম, শেষ। পাচার বলতে দেশের ভেতরে অথবা দেশের সীমানার বাইরে বিক্রয়, বিনিময় বা অন্য কোন অবৈধ কাজে নিয়োগের জন্য নারী, শিশু বা কোন ব্যক্তিকে স্থানান্তর করাকে বুঝায়। মানুষ নিয়ে ব্যবসা ও মুনাফাকারীরা শিশু, নারী, বা কোন ব্যক্তিকে ফুসলিয়ে অপহরণ করে, অবরুদ্ধ করে যে অবৈধ কাজ করে তাকেই পাচার বলে।
এ ছাড়া কোন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বল প্রয়োগ করে বা প্রতারনা করে ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক বা অন্য কোন অসহায়ত্বকে কাজে লাগিয়ে বা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে দেশের বাইরে বিক্রি করাকেও মানব পাচার বুঝায়।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ১৯৯৪ সালের অনুষ্টিত এক সভায় পাচার বলতে বুঝানো হয়েছেঃ Trafficking in human beings is the recruitment, transportation, transfer, harbouring or receipt of persons, by means of the threat or use of force or other forms of coercion, of abduction, of fraud, of deception, of the abuse of power or of a position of vulnerability or of the giving or receiving of payments or benefits to achieve the consent of a person having control over another person, for the purpose of exploitation. অর্থাৎ মানব পাচার হচ্ছে, ভয় দেখিয়ে বা জোর করে অথবা অন্য কোনও ভাবে জুলুম করে, হরণ করে, প্রতারণা করে, ছলনা করে, মিথ্যাচার করে, ভুল বুঝিয়ে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে, দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে, অথবা যার উপরে একজনের কর্তৃত্ব আছে অর্থ বা সুযোগ সুবিধার লেনদেনের মাধ্যমে তার সম্মতি আদায় করে, শোষণ করার উদ্দেশ্য কাউকে সংগ্রহ করা, স্থানান্তরিত করা হাতবদল করা, আটকে রাখা বা নেওয়া।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে- ‘মানব পাচার’ অর্থ কোন ব্যক্তিকে ভয়বীতি প্রদর্শন বা বল প্রয়োগ করিয়া, বা প্রতারনা করিয়া বা উক্ত ব্যক্তির আর্থ সামাজিক বা পরিবেশগত বা অন্যকোন অসহায়ত্বকে কাজে লাগাইয়া বা অর্থ বা অন্য কোন সুবিধা লেনদেন-পুর্বক উক্ত ব্যক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ রহিয়াছে এমন ব্যক্তির সম্মতি গ্রহন করিয়া,বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে যৌন শোষন বা নিপীড়ন বা শ্রম শোষন বা অন্য কোন শোষন বা নিপীড়নের উদ্দেশ্যে বিক্রয় বা ক্রয়, সংগ্রহ বা গ্রহন, নির্বাসন বা স্থানান্তর, চালান বা আটক করা বা লুকাইয়া রাখা বা আশ্রয় দেওয়া।

বাংলাদেশে নারী ও শিশু পাচার নিরুধমুলক পরিপুর্ণ ও সরাসরি কোন আইন ছিল না। তবে ২০০০ সনের ১৪ ফেব্রæয়ারী সর্বপ্রথম নারী ও শিশু নির্যাতনমুলক অপরাধসমুহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে প্রণীত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর কয়েকটি ধারায় নারী ও শিশু পাচারের শাস্তি বর্ণিত হয়েছে। এ আইনের পঞ্চমধারায় নারী ও ষষ্ঠ ধারায় শিশু পাচারের শাস্তি বর্ণিত হয়েছে। ফলে এতদিন নারী ও শিশু পাচার অপরাধের বিচার উক্ত আইনের দুটি ধারার মাধ্যমে সমাধান করা হতো যা অপর্যাপ্ত। ২০০৩-এ এই আইনের কিছুটা সংশোধনী দেয়া হয়।এই আইনে বিভিন ধরনের নারী নির্যাতনের মধ্যে পাচারকে বেশ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয় এবং পাচারকার্য়ে নিয়োজিতদের শাস্তি দেয়া হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার শিরোনামে এ বিষয়ক চুড়ান্ত আইন প্রণয়ন করেন।

আইনটিতে চারটি অধ্যায় ওকয়েকটি ধারা বর্ণিত রয়েছে। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন, সংঙ্গা, মানব পাচারআইনের প্রাধান্য এবং ফৌজদারী কার্যবিধি প্রযোজ্যতা, অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ, মানবপাচারও এতদসংশ্লিষ্ট। অপরাধসমুহ এবং দন্ড, মানব পাচার নিষিদ্ধকরণ ও দন্ড, সংঘবদ্ধ মানবপাচার অপরাধের দন্ড, অপরাধ সংগঠনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দন্ড, জবরদস্তি বা দাসত্বমুলক শ্রম বা সেবা প্রদান করতে বাধ্য করার দন্ড, মানব পাচার অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, চুরি আটক করার দন্ড, পতিতাবৃত্তি বা অন্য কোন প্রকারের যৌন শোষন বা নিপীড়নের জন্য আমদানী বা স্থানান্তরের দন্ড, পতিতালয় পরিচালনা বা কোন স্থানকে পতিতালয় হিসাবে ব্যবহারের অনুমতি প্রদানের দন্ড, পতিতাবৃত্তির উদ্দেশ্যে আহবান জানানোর দন্ড, ভিকটিম বা মামলার সাক্ষিকে হুমকি প্রদানের দন্ড, মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের দন্ড, অপরাধের আমলযোগ্যতা, আপোষ যোগ্যতাও জামিনযোগ্যতা, অভিযোগ দায়ের এবং তদন্ত, অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে আইনগত অনুমান ও তদন্ত, প্রতিরোধমুলক তল্লাশী এবং আটক, মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এবং অপরাধের বিচার, মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন, ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা, ট্রাইব্যুনালের অধিকতর তদন্ত সংক্রান্ত ক্ষমতা, বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা, রুদ্ধ-কক্ষ বিচার, দোভাষী নিয়োগ, সম্পত্তি আটক, অবরুদ্ধকরণ ও বাজেয়াপ্তকরণ এবং অতিরাষ্ট্রিক নিষেধাজ্ঞা, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ক্ষতিপুরণ প্রদানের আদেশ, বিদেশী দলিল, লিখিত তথ্য প্রমাণাদি বা উপাদানের গ্রহণযোগ্যতা, ইলেকট্রনিক তথ্য প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা, আপিল, মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গকে প্রত্যাবাসন বা ভিকটিমদের চিহ্নিতকরণ এবং উদ্ধার, ভিকটিম বা মানবপাচারের শিকারব্যক্তিবর্গের প্রত্যাবাসন, ভিকটিম বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গ এবং জনসাধারণকে সাধারণভাবে তথ্য সরবরাহ, আশ্রয়কেন্দ্র এবং পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্টা, নিরাপত্তা বিধান, পুনর্বাসন এবং সামাজিক একাঙ্গীভূতকরণ, ফৌজদারী বিচারের ক্ষেত্রে ভিকটিম বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি এবং সাক্ষীর সুরক্ষা বিধান, শিশু ভিকটিম এবং শিশুসাক্ষীর অধিকার রক্ষা ক্ষতিপুরন আদায়ে দেওয়ানী মামলা রুজু করিবার অধিকার, মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান, মানব পাচার দমন ও প্রতিরোধে যৌথ বা পারষ্পরিক আইনি সহযোগিতা, মানবপাচার প্রতিরোধ তহবিল, জাতীয় মানব পাচার দমন সংস্থা, কোম্পানী বা ফার্ম কর্তৃক অপরাধ সংঘটন, সমতার নীতির প্রয়োগ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে বিধান এবং বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা ইত্যাদি আলোচনা পরিধিভুক্ত হয়েছে।

মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তাবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরনের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে নামে আইন প্রণয়ন করেছে। আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, যেহেতু মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে বিধান করা আবশ্যক; এবং যেহেতু মানবপাচার সংক্রান্ত সংঘবদ্ধভাবে সংঘটিত আন্তঃদেশীয় অপরাধসমুহ প্রতিরোধ ও দমনকল্পে আন্তর্জাতিক মানদন্ডের সাথে সঙ্গতিপুর্ণ বিধান করা সমীচিন ও প্রয়োজনীয়।

মানবপাচারে জড়িত থাকার বিভিন্ন পর্যায় তথা পাচার সংঘবদ্ধ পাচার, প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র, জবরদস্তিমুলক বা দাসত্বমুলক শ্রমে বাধ্য করা, পতিতাবৃত্তিতে বা যৌনশোষনের উদ্দেশ্যে ইত্যাদি বিবেচনায় শাস্তিরও বহুমাত্রিকতা আইনে বর্ণিত হয়েছে। সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদন্ড, বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদন্ড, এবং বিভিন্ন পরিমাণে অর্থদন্ডে দন্ডিত করার বিধান রয়েছে। এছাড়া আইনের অধীন অপরাধগুলো আমলযোগ্য, অ-আপসযোগ্য এবং অ-জামিনযোগ্য।

সরকার পাচারের শিকার ব্যক্তিদের চিহ্নিত ও উদ্ধার করে এ আইনের অধীনে কাজ করবে। সরকার এ জন্য বেসরকারী সংস্থার সহায়তাও নেবে। কেউ বিদেশে পাচার হলে সরকার বাংলাদেশ দুতাবাস এবং পররাষ্ট্র কিংবা প্রবাসী কল্যান মন্ত্রণলয়ের সহযোগিতায় তাকে ফেরত আনার উদ্যোগ নেবে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি সরকার, পুলিশ বা বিশেষ তদন্ত ইউনিটের কাছ থেকে অপরাধীদের বিরুদ্ধে গৃহীত ব্যবস্থা এবং মামলার সর্বশেষ অবস্থা ব্যাপারে মাসে অন্তত একবার অবগত হওয়ার অধিকারী হবে।

পাচারের শিকার ব্যক্তিদেরশারিরীক ও মানসিক সেবা, পুনর্বাসন এবং পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার সারা দেশে পর্যাপ্তসংখ্যক আশ্রয়কেন্দ্র বা পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্টা করবে।এধরনের কেন্দ্র প্রতিষ্টা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা সরকারের লাইসেন্স নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্র বা পুনর্বাসন কেন্দ পরিচালনা করতে পারবেন।

পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষ তার নিজের জীবনের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা লাভের অধিকারী। অন্যায়ভারে কেউ কারো ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করবে না ও হত্যা-নিপীড়ন করবে না। মানুষকে সুষ্টভারে বেঁচে থাকার জন্য এ অধিকার অত্যন্ত প্রয়োজন, যা মানব অধিকার সনদে স্বীকৃত।

মানবপাচার মানবাধিকারের একটি চরম লঙ্ঘন এবং সভ্যতার প্রতি উপহাস, যা সমাজে দরিদ্রতা, অশিক্ষা, অজ্ঞতা, ইসলামী শিক্ষার অভাব, বিপুল জনসংখ্যা, আবাসন স্বল্পতা ইত্যাদি কারণে ঘটে থাকে। বাংলাদেশে এটা জাতীয় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মানব পাচার প্রতিরোধে আইন প্রণয়ন করেছে এবং কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। এর জন্য রয়েছে আন্তঃমন্ত্রনালয় ও জেলা কমিটি গঠনসহ বিভিন্ন কর্মসুচী ও কর্মপরিকল্পনা।

এতদ সত্বেও দেখা যাচ্ছে, মানবপাচার দিনদিন বহুগুনে বেড়ে যাচ্ছে। মানবপাচার প্রতিরোধে ইসলামের রয়েছে যথার্থ শিক্ষাদর্শন ও দিকনির্দেশনা। ইসলাম মানুষের জীবনের নিরাপত্তা, সামাজিক মুল্যবোধ, পারিবারিক ব্যবস্থা, রাষ্ট্রের আইনকানুন মেনে চলার প্রতি কঠোর নির্দেশনা এবং দন্ডবিধি প্রয়োগের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রধান করেছে। এজন্য ইসলামের নির্দেশনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সাধারন জনগন, জনপ্রতিনিধি, সমাজসেবী, পেশাজীবি, গণমাধ্যমকর্মী, ব্যবসায়ীসহ দেশের সকল বিবেকবান মানুষের স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসতে হবে। মানবপাচার প্রতিরোধে প্রচলিত আইন ও ইসলামী শিক্ষার সমন্বয় নিঃসন্দেহে এক বলিষ্ট ভুমিকা পালন করবে।

লেখক: পাঠানপাড়া (খানবাড়ি) কদমতলী, সদর-সিলেট।

 

 

0Shares





Comments are Closed