Main Menu
শিরোনাম
‘এক্সেস লাগেজ’ জটিলতায় সেই নারীর ফ্লাইট মিস : বিমান         দশ হাসপাতাল ঘুরে বিয়ানীবাজারে বৃদ্ধার মৃত্যু         ইনসাফ ওয়েলফেয়ারের বৃক্ষরোপন ও চারা বিতরণ         প্রবাসী জামিলা চৌধুরীর সাথে মাবাফা নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষাৎ         সিলেটে আইসিইউ ও ১ হাজার শয্যা বাড়ানোর দাবি         জৈন্তাপুরে ওপার থেকে নদীপথে আসছে টমেটোর চালান         ওসমানীতে যাত্রী হয়রানি, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা         স্ত্রীকে বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলার চেষ্টা স্বামীর         সিলেটে করোনায় আরো ৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৪০         বিশ্বনাথে খেলনার ‘বেহালা’য় হাছু মিয়ার জীবন সংগ্রাম         সেই নারীর লন্ডন যাওয়ার ব্যবস্থা করল বিমান         সাবেক এমপি মিলন-এর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল        

বহর এলাকায় ভূমিধসে তিনটি পরিবার ভিটেহারা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের সদর উপজেলার খাদিমপাড়া ইউনিয়নের বহর পশ্চিম পাড়া এলাকায় সরকারি খাস জমিতে শত শত পরিবার বসবাস করে আসছে। এ অবস্থায় গত কয়েক দিন ধরে বহর পশ্চিম এলাকার একটি টিলার উপর বসবাসকারী কয়েকটি পরিবার হুমকির মুখে পড়েছে।

রবিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় , সরকারি খাস জায়গায় পরিবারগুলো অমানবিকভাবে বসবাস করছে। ছোট একটি টিলার উপর বসবাস করা দুইটি পরিবারের ঘর ধসে পড়েছে। আরো কয়েকটি পরিবারের ঘর ধসে পড়বে যে কোন মুহুর্তে।

ভূমি ধসে ঘর ভেংগে যাওয়া নাজমা বেগম জানান, এখানে ১৫ বছর ধরে তিনটি সন্তান নিয়ে বসবাস করছি, এখন টিলা ধসে ঘর নাই, মেম্বার ও ইউএনও অফিস থেকে লোকজন আমাদের এখান থেকে সরে যেতে বলে গেছেন। আমরা এখন কোথায় যাব? আমরা সরকারের কাছে সাহায্য চাই।

ভূমিহীন পরিবারের একজন আবুল কালাম জানান, এখানে ভূমিহীন পরিবারগুলো নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বসবাস করছে। এই দুইটি পরিবার সবার সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে ও বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋন নিয়ে মাথাগোঁজার ঠাই করেছিলাম। এবার ভূমিধসে পরিবারগুলো ঘর হারালো, এ অবস্থায় তাদের সরকারী জায়গায় পূনর্বাসন করা হউক।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনু আহমদ জানান, ঝুকিপূর্ণ টিলাটি আমি দেখেছি, নিরাপত্তার কারনে তাদের কে সরে যেতে বলেছি। তাদেরকে পূর্নবাসনের জন্য সরকারের কাছে দাবি করছি।

এ ব্যাপারে খাদিমপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান এড. আফসর আহমদ বলেন, এখানে সরকারি, বন্দোবস্ত ব্যক্তি মালিকানা জায়গা নিয়ে সমস্যা রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিবার বসবাস করে আসছে। আমি শুনেছি টিলা থেকে দুটি পরিবারের ঘর ধসে গেছে, আমরা বার বার ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস না করার জন্য বলেছি। তারা যদি আমার সাথে যোগাযোগ করে তাহলে আমি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো।

ভূমিহীন পরিবার ও পূর্নবাসনের বিষয়ে উপজেলা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, আমাদের কাছে ২৭০০ পরিবারের পূর্নবাসনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে ১৪৪টি পরিবারকে বছরে পূর্নবাসন করতে পারি। আমাদের খাস জায়গার সমস্যা রয়েছে, কেউ যদি জায়গা দিয়ে সহযোগিতা করে তাহলে আমরা তাদের ঘর বানিয়ে দিবো।

নাজমা বেগম সহ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পূর্নবাসন হওয়া জরুরি, যথাযথ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন।

0Shares





Related News

Comments are Closed