Main Menu

জৈন্তাপুরে নদী ভাঙ্গনের কবলে ৭ হাজার গ্রামবাসী

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি : সিলেট’র জৈন্তাপুর উপজেলার জৈন্তাপুর ইউনিয়নের ওয়াপদা ডাইক হতে বাউরভাগ মল্লিফৌদ রাস্তাটি জনসাধারনের চলাচলের একমাত্র রাস্তা। সবুড়ী নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে রাস্তটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

মল্লীফৌদ গ্রামের বাসিন্ধা হাজী তবারক আলী, ইউপি সদস্য ইসমাইল আলী, সমাজসেবী মাওলানা আব্দুল হান্নান, আলী আকবর সহ এলাকার শতাধীক মানুষ এ প্রতিবেদককে জানান, সর্বনাশা সবুড়ী নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে গত কয়েক বৎসর হতে উপজেলার জৈন্তাপুর ইউনিয়নের মল্লিফৌদ, কান্দি, কাটাখাল, চাতলারপাড়, বাওন হাওর গ্রামের কয়েক হাজার জনসাধারনের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে।

মন্ত্রী ইমরান আহমদের দেয়া বরাদ্ধে ১ কোটি ৩২ লক্ষ ৩৮ হাজার টাকা ব্যয়ে এলজিইডি প্রকল্পের আওতায় ওয়াপদা ডাইক হতে মল্লীফৌদ পর্যন্ত রাস্তার কার্পেটিং কাজ চলছে। সম্প্রতি বর্ষার শুরুতেই পাহাড়ী ঢলে সৃষ্ট বন্যায় বাউরভাগ মল্লিফৌদ রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

ভাঙ্গনের কারণে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে বাধার সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সবুড়ী নদীর পাড় রক্ষার উদ্যোগ না নিলে নদীগর্ভে বিলিন হবে বাউরভাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাউরভাগ মল্লিফৌদ গ্রামের বাসিন্ধাদের বাড়ী ঘর, মাজার ও মসজিদ। নষ্ট হতে পারে প্রায় ৫হাজার হেক্টর ফসলী জমি, ৪ গ্রামের ৭ হাজারের অধিক জনসাধারনের চলাচলের ওয়াপদা ডাইক হতে মল্লিফৌদ রাস্তাটি।

এদিকে নদীর পাড় রক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ না করা হলে উন্নয়নমূলক কাজসহ বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার পূর্বেই রাস্তাটি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাবে।

তাই ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা পেতে সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমদের সুদৃষ্টি কামনা করছেন এলাকাবাসী।

 

Share





Related News

Comments are Closed