Main Menu

দেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেল রাশিয়ার টিকা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস প্রতিরোধী রাশিয়ায় উদ্ভাবিত স্পুতনিক-ভি টিকা জরুরি ব্যবহারে অনুমোদনের সুপারিশের এক ঘন্টার মধ্যে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর দেড়টায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে জরুরি প্রয়োজনে এই টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’

এর আগে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জরুরি বৈঠকে স্পুতনিক ভি টিকার প্রয়োগের বিষয়ে সুপারিশ করে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের টেকনিক্যাল কমিটি।

এই টিকা বাংলাদেশেই উৎপাদন হবে। ফর্মুলা গোপন রাখার শর্তে রাশিয়া ও বাংলাদেশ এ বিষয়ে আগেই সমঝোতা চুক্তি করেছে।

ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে করোনা টিকার ৩ কোটি ডোজ কিনতে গত বছরের নভেম্বরে চুক্তি করে বাংলাদেশ। এর আওতায় দুই চালানে ৭০ লাখ ডোজ বাংলাদেশ হাতে পেয়েছে।

ভারত সরকারের দুই দফা উপহারের ৩২ লাখ ডোজ মিলে ১ কোটি ২ লাখ ডোজ টিকা আসে দেশে। এ পর্যন্ত প্রায় ৬০ লাখ মানুষ প্রথম ডোজের টিকা পেয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার জন্য রাখা হয়েছে ৪২ লাখ টিকা।

বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ভারত নিজস্ব চাহিদার কথা বিবেচনা করে সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ডের টিকার রপ্তানি গত ২৪ মার্চ স্থগিত করে। ভারত সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত টিকা রপ্তানিতে বিলম্ব হতে পারে।

কোভ্যাক্সের আওতায় ১৮০টি দেশও সিরাম উৎপাদিত টিকা পাবে। কিন্তু রপ্তানি স্থগিত হওয়ায় এসব দেশও টিকা পাচ্ছে না। ফলে সিরামের কাছ থেকে টিকার নতুন চালান পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

এই সংকট কাটাতে টিকার বিকল্প উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ। এর অংশ হিসেবে রাশিয়ার পাশাপাশি চীন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে সরকার।

এর অংশ হিসেবে চীনের নেতৃত্বে মঙ্গলবার দুপুরে রাশিয়া, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ।

Share





Related News

Comments are Closed