Main Menu

বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর সড়কে কাজের ধীরগতি, দূর্ভোগে যাত্রীরা

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর জনবহুল সড়ক সংস্কার কাজে এক ঠিকাদারেই অতিষ্ঠ দুই উপজেলাবাসী। মানুষের দুর্ভোগ দেখার যেনো কেউ নেই। গত ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সড়কের সংস্কার কাজ শুরু করা হয়। এর পর থেকে দীর্ঘ প্রায় ১৫টি মাস ধরে বিশ্বনাথ অংশ পর্যন্ত মাত্র ১৩ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও প্রশস্তকরণ কাজে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে দুই উপজেলার হাজার হাজার জনসাধারণের।

একই সময়ে জগন্নাথপুর অংশের ১৩ কিলোমিটারের কাজ শুরু করে পাঁচটি বক্স কালভার্ট নির্মাণ ও কার্পেটিংসহ প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ করা হয়েছে বলে জানান জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী। কিন্তু বিশ্বনাথ অংশে কোনো কালভার্ট না থাকলেও পীরের বাজার থেকে প্রায় ২ কিলোমিটারে সাভব্যাচ খোঁড়াও শেষ করা সম্ভব হয়নি। বাকি অংশ বিশ্বনাথ থেকে পীরের বাজার পর্যন্ত সাভব্যাচ ভরাট করা হয়েছে।

অন্যদিকে গত ২ এপ্রিল চান্দশির কাপন নামক স্থান থেকে কালিগঞ্জমুখি সড়কে কর্পেটিং শুরু করা হয়। কিন্তু গত শনিবার (১০ এপ্রিল) পর্যন্ত এই ৯ দিনে দুই কিলোমিটার সড়কের কার্পেটিং শেষ করতে পারেনি ঠিকাদার। এই নয়দিনের ভেতরে তিনদিন কাজ বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। এদিকে একই সড়কের চান্দশির কাপন থেকে উপজেলা সদর পর্যন্ত আরসিসি ঢালাই কাজ রয়েছে এক কিলোমিটার। তারমধ্যে অর্ধ কিলোমিটার ঢালাই কাজ শেষে হয়েছে প্রায় ৬ মাস পূর্বে। বাকি অর্ধ কিলোমিটার খুঁড়ে রাখা হয়েছে অনেক আগেই। এই অর্ধ কিলোমিটারের দুই পাশে এলোপাতাড়িভাবে গার্ডওয়ালের জন্য রাখা হয়েছে রড। সেই রডে হোছট খেয়ে আহত হচ্ছেন অনেকেই। অনেক সময় কাজ বন্ধ থাকারও অভিযোগ রয়েছে। ফলে কাজে অনেকটা ধীরগতি হচ্ছে। এভাবেই প্রায় ১৫ মাস ধরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দুই উপজেলার জনসাধারণ। আর গাড়িভাড়াতো অতিরিক্ত দিতেই হচ্ছে তাদেরকে। আগামি ১০ মে কাজের মেয়াদ শেষ হবে। কিন্তু এই সময়ের ভেতরে ঠিকাদারের পক্ষে সড়কের কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঠিকাদার সোহেল আহমদ কাজ বন্ধের বিষয়’সহ সম্পুর্ণ অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে সাংবাদিকদের বলেন, তিনি একজন সাব ঠিকাদার। মাত্র ৭মাস ধরে কাজ করছেন। এই ৭মাসে কাজ যতটা করেছেন তা সন্তোষজনক। তবে মেয়াদ শেষের আগে কাজ শেষ করতে পারবেন না বলেও জানান তিনি।

Share





Related News

Comments are Closed