Main Menu
শিরোনাম
বিশ্বনাথে সড়ক নির্মাণে ব্যবহার হচ্ছে নিম্নমানের ইটের খোয়া         মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের ছড়া থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার         ৯৯৯-এ কল পেয়ে রক্তাক্ত মোটরসাইকেল রাইডারকে উদ্ধার         বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর সড়কে কাজের ধীরগতি, দূর্ভোগে যাত্রীরা         সিলেটে ট্রাক্টরচাপায় কিশোর নিহত         সিলেটে করোনায় আরো ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৩         লাখাইয়ে গণপিটুনিতে দুই ডাকাত নিহত         সিলেটের দুই ল্যাবে আরো ১০১ জনের করোনা শনাক্ত         জাফলংয়ে নদীতে পাথর তুলতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু         অনলাইন ক্লাসে ধূমপান, ভাইরাল শাবি শিক্ষক!         কমলগঞ্জে তালা ভেঙ্গে কাপড়ের দোকানে চুরি         কমলগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে দুধ ডিম মাংস বিক্রি শুরু        

ওসমানীনগরে সবজি চাষে সুফিয়ান খানের সাফল্য

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের চিন্তামনি গ্রামের যুবক সুফিয়ান খাঁন নিজের জমিসহ অন্যের জমি বন্ধক নিয়ে সবজি চাষ করেছেন। একবার তাকালেই নজর আটকে যায়, চিন্তামনি গ্রামের দিগন্ত জোড়া সুফিয়ান খানের শীতের সবজির বাগান। গত ৫ বছর যাবত সবজি চাষ করে তিনি ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন। এই সবজি চলে যাচ্ছে সিলেটের বিভিন্ন হাট বাজারে। সুফিয়ান খান খরচ বাদে প্রতিবছর গড়ে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা আয় করেন। ফলে সুফিয়ান খান ইতিমধ্যে অত্র এলাকার একজন সবজি চাষী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। সুফিয়ান খান এর অনুপ্রেরণায় আজ অত্র এলাকায় অনেক কৃষক সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, চিন্তামনি গ্রামে সুফিয়ান খান প্রায় দুই একর জায়গা জুড়ে গড়ে তুলেছেন সবজি বাগান। এসব সবজির মধ্যে সীম, লাউ, টমেটো, মিষ্টি লাউ, শালগম, ফুলকপি, বাধাকপি, বেগুন, কেরেলা, সরিষাসহ প্রায় ১০ থেকে ১২ প্রজাতির সবজি। গত ৫ বছর আগে শখের বসে তিনি সবজি চাষ শুরু করেছিলেন। তারপর থেকে এখন প্রতিবছর নিজ উদ্যোগে তার বাড়ির সামনে এ সবজি চাষ করছেন।

সবজি চাষী সুফিয়ান খান বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে সিলেটের বিভিন্ন প্রান্তের সবজি ব্যবসায়ীরা অগ্রিম টাকা দিয়ে সবজি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে সপ্তাহে দুইবার ৫০ থেকে ৭০ কেজি সীম সংগ্রহ করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে। আগামী সপ্তাহ থেকে তা বেড়ে গিয়ে ১০০ থেকে ১৫০ কেজি করে বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশা করছেন। এখানকার বেলে-দোআঁশ মাটি এবং আবহাওয়া সবজি চাষের উপযোগী। খুব কম সময়ে এখানে তরতাজা সবজি উৎপাদন করা যায়। রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করলেও চলে।

তিনি আরো বলেন, প্রায় দুই একর জমিতে সবজি চাষে তাঁর খরচ হয় ৮০-৯০ হাজার টাকা। সব খরচ বাদ দিয়ে আয় করেন দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। সরকারি সহযোগিতা পেলে আগামী বছর তিনি আরও বেশি জমিতে সবজির আবাদ করবেন।

দয়ামীর ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রায়হান আহমদ বলেন, এখানকার জমি সবজি আবাদের জন্য উপযোগী। সুফিয়ান খান বেশ কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন জাতের সবজি উৎপাদন করছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে তাঁকে সরিষা, সার এবং সেচ সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার এরকম উদ্যোমী ও সফল চাষীদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানে বদ্ধপরিকর।

 

0Shares





Related News

Comments are Closed