হাছন রাজার ১৬৬তম জন্ম বার্ষিকীতে শ্রদ্ধার্ঘ
বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের কিংবদন্তী মরমী কবি, সাধক, বাউল শিল্পী তথা জমিদার হাছন রাজা’র ১৬৬তম জন্ম বার্ষিকীতে তাকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছেন হাওরপাড়ের ধামাইল বাংলাদেশ’র নেতৃবৃন্দ।
১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের তেঘরিয়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা দেওয়ান আলী রাজা চৌধুরী ছিলেন একজন প্রতাপশালী জমিদার। মা হুরমত জাহান বিবি। পিতার মৃত্যুর পর মাত্র ১৭ বছর বয়সেই জমিদারির দায়িত্ব নিতে হয়। যাপিত জীবনের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনাকে উপজীব্য করে তিনি রচনা করেন গ্রামীণ ও সহজাত কাব্য ও গান। বাউলা কে বানাইলো রে? হাসন রাজারে বাউলা কে বানাইলো রে?
এমন অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টাকে আজ সোমবার (২১ ডিসেম্বর) স্মরণ করার কথা ছিল মহাসমারোহে। কিন্তু সংকটময় করোনাকাল বলে তা সম্ভব হচ্ছে না।
এছাড়াও “লোকে বলে বলে রে, ঘরবাড়ি ভালা না আমার।” “রঙের বাড়ই রঙের বাড়ই রে, ভীষম উন্দুরায় লাগাল পাইল।” “মাটির পিঞ্জিরার মাঝে বন্দি হইয়ারে কান্দে হাছন রাজার মন মনিয়ায় রে।” “একদিন তোর হইবো রে মরণ” সহ অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় কালজয়ী গান রচনা করে শ্রীভ‚মি শ্রীহট্টে তিনি অমর কবির মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
মরমী কবি হাছন রাজার ১৬৬তম জন্ম বার্ষিকীতে তাঁকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছেন হাওরপাড়ের ধামাইল বাংলাদেশের সভাপতি বিনয় ভূষণ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মনজুর মোহাম্মদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শিক্ষক পরেশ চন্দ্র দাশ, মেঠোসুর এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কাস্টমস কর্মকর্তা অঞ্জন সরকার, সম্পাদক বিমান তালুকদার, অন্যতম সদস্য কবি অসীম সরকার, সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারস্থ মিউজিয়াম অব রাজাস এর পক্ষে জাহাঙ্গীর আহমেদ, মাহবুব রহমান প্রমুখ।
সোমবার এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ শ্রীহট্টের লোক সঙ্গীতের এই প্রবাদ প্রতীম পুরুষ বেঁচে থাকবেন আজীবন আমাদের মন চিন্তনে। এ শুভ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বিজ্ঞপ্তি
Related News
সন্তানের মুখে মায়ের গল্প
মুহাম্মাদ শরীফুজ্জামান: ‘মা’ একটি ছোট্ট শব্দ। অথচ এই শব্দটির ভেতরেই যেন লুকিয়ে আছে এক বিশালRead More
জহিরপুর সৈয়দ বাড়ির সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থের প্রকাশনা সম্পন্ন
শাহ মনসুর আলী নোমান, লন্ডন থেকে: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার দাওরাই বাজারে টেমস-সুরমা পারের গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বRead More



Comments are Closed