Main Menu

কোম্পানীগঞ্জে নতুন পাকা ঘর পেল ১২ পরিবার

Manual2 Ad Code

কোম্পানীগঞ্জ সংবাদদাতা্: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় দুর্যোগ সহনীয় পাকা ঘরে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়ে হাসি ফুটে উঠেছে অস্বচ্ছল পরিবারের সদস্যদের মুখে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দেওয়া বাড়ি পেয়ে তারা এখন বেজায় খুশি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দ গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগ সহনীয় আধুনিক বাড়ি নির্মাণ করা হয়।

Manual8 Ad Code

এ প্রকল্পের আওতায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ১২টি অসহায় পরিবারকে পাকা ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিটি ঘরের প্রাক্কলিত মূল্য ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। উপজেলার ১০ জন দরিদ্র কৃষক এবং ২ জন পাথর শ্রমিক পেয়েছে দুর্যোগ সহনীয় এসব ঘর।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ১২টি ঘর নির্মাণ হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন আচার্য ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিদ্যুৎ কান্তি দাসের সার্বিক তত্বাবধানে প্রকল্প কমিটির মাধ্যমে এই ঘর নির্মাণ শেষে সুবিধাভোগীরা ঘরে উঠেছে। প্রতিটি ঘরে দু’টি কক্ষ, দু’টি বারান্দা, একটি রান্নাঘর, একটি করিডরসহ রয়েছে পায়খানার ব্যবস্থা। তাছাড়া প্রকল্পে না থাকলেও প্রতিটি ঘরকে সৌর বিদ্যুতের সুবিধা দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে থাকছে টিউবওয়েল সুবিধাও।

উপজেলার বুড়দেও গ্রামের ষাটোর্দ্ধ সোয়াব আলী জানান, প্রায় ২৫ বছর পূর্বে তার একমাত্র ছেলে মারা যায়। বয়স হওয়ার পর একমাত্র মেয়েকেও পাত্রস্থ করেন। এরপর বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে অন্যের জমিতে কৃষি কাজ করে ৬ শতক জায়গা কিনেন তিনি। তার সেই জায়গার উপর নির্মাণ হয়েছে সরকারের দেয়া পাকাঘর। তিনি এখন নতুন পাকা ঘরে বসবাস করছেন। তিনি মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রাণভরে দোয়া করেন।

ঘোড়ামারা গ্রামের পাথর শ্রমিক আব্দুল বারী, রাজনগরের পাথর শ্রমিক গাজিউর রহমান, দক্ষিণ বুড়দেও গ্রামের আবু বকর সিদ্দিক, বিলাজুর গ্রামের কৃষক বানেশ্বর বিশ্বাস, নিজগাঁও গ্রামের সুন্দর আলী, আনছারুন নেছা, শিবপুর গ্রামের শ্রী চরণ বিশ্বাস, বনপুর গ্রামের মাহমুদ হুসাইন, পশ্চিম বর্নির জমসিদ আলী, গৌরিনগর গ্রামের জিয়া উদ্দিন ও পূর্ণাছগাম গ্রামের নিকেশ বিশ্বাস জানান, আগে তাদের থাকার জায়গা ছিল না এখন সরকারিভাবে প্রাপ্ত পাকা ঘরে বসবাস করছেন।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শামীম আহমদ জানান, অসহায় মানুষরা ঘর পেয়ে আনন্দিত। সবাই এখন সরকারি পাকা ঘরে অবস্থান করছে। ইউএনওসহ কর্মকর্তাগণ ঘর নির্মান কাজে দেখভাল করেছেন। সঠিকভাবেই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

Manual6 Ad Code

এদিকে, এসব পাকাঘর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর পরই সুবিধাভোগীরা ঘরে উঠেছেন। জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ নির্মিত পাকা ঘর পরিদর্শন করে নির্মাণ কাজ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা সুমন আচার্য জানান, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিভিন্ন প্রকল্প কমিটির মাধ্যমে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ১২টি পাকা ঘর নির্মাণ করা হয়। উপকারভোগীরা এসব ঘরে বসবাস করছেন।

Manual5 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code