Main Menu

দক্ষিাণাঞ্চলে পারিবারিক কৃষিতে ব্যাপক ফলন

Manual5 Ad Code

কৃষি ডেস্ক: দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় করোনাকালে কৃষি মাধ্যমে অনেক পরিবারের মুখে হাসি আলো ফুটে উঠেছে। বর্তমান করোনাকালে পারিবারিক কৃষি বিগত বছরের তুলনায় বরিশাল বিভাগে অনেক বেশি চাষ ও ফলন হয়েছে।

যখন করোনার সংক্রমণে স্থবির হয়ে পড়েছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। আর এ স্থবিরতার মধ্যেও বরিশালে কৃষি মানব সভ্যতার মাঝে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে চলেছে।

বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, করোনা সংক্রমণের সময়কালে বরিশাল বিভাগে পারিবারিক কৃষি চাষের মাধ্যমে অনেক পরিবারকে সমৃদ্ধি এনে দিয়েছে। নানান সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কাজ করার ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়েছে। নিজের পরিবারের পুষ্টির পাশাপাশি অনেকের অর্থ উপার্জনের রাস্তাও তৈরি করে দিয়েছে পারিবারিক কৃষি। .

Manual5 Ad Code

বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, করোনাকালে বিগত বছরের তুলনায় অনেক বেশি চাষ হয়েছে গোটা বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে। এর কারণে করোনাকলীন বরিশাল বিভাগে ২৮ হাজার ৮শ কেজি উৎপাদিত সবজি পারিবারিক কৃষিচাষ থেকে এসেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বরিশাল খামারবাড়ি অতিরিক্ত পরিচালক আফতার উদ্দিন বলেন, কৃষি হচ্ছে একমাত্র পেশা যা মানুষকে শতাব্দী থেকে শতাব্দী বাঁচিয়ে রেখেছে। কৃষির ওপর ভর করেই মানব সভ্যতা দিন দিন উন্নত হচ্ছে। করোনাকালেও আহার জুগিয়েছে কৃষি। এই সময়ে আমরা মানুষকে ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ করেছি। সেই কারণে বিগত বছরের তুলনায় অনেক বেশি চাষ হয়েছে। এটি বরিশাল বিভাগের জন্য একটি উন্নয়নের মাইলফলক বলে মনে করেন তিনি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বিভাগের ৬ জেলার ৩ শত ৬৬ ইউনিয়নে পারিবারিক কৃষির আওতায় সবজি-পুষ্টি বাগানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এখন ইউনিয়নগুলোয় ১১ হাজার ৫ শত ৮৪টি পারিবারিক কৃষি বাগান গড়ে উঠেছে।

Manual1 Ad Code

এরমধ্যে বরিশাল জেলায় ৮৫টি ইউনিয়নে দুই হাজার ৭শত ২০টি বাগান, পিরোজপুরে ৫৪টি ইউনিয়নে এক হাজার ৭শত ২৮টি বাগান, ঝালকাঠির ৩২টি ইউনিয়নে এক হাজার ২৪টি বাগান, পটুয়াখালী জেলার ৮৫টি ইউনিয়নে দুই হাজার ৫শত ৯২টি বাগান, বরগুনা জেলার ৪৫টি ইউনিয়নে রয়েছে এক হাজার ৪শত ৪০টি বাগান এবং ভোলা জেলায় মোট ৬৫টি ইউনিয়নে দুই হাজার ৮০টি বাগান।

Manual1 Ad Code

সবচেয়ে বেশি সবজি উৎপাদিত হয়েছে ভোলা জেলায়। সেখানে এক মৌসুমে ২০ হাজার কেজি সবজি এখন পর্যন্ত সংগৃহীত হয়েছে। বরিশাল জেলায় দুই হাজার ৫শত৪০ কেজি, পিরোজপুর জেলা থেকে দুই হাজার ৩ শত ৮০ কেজি, ঝালকাঠি জেলা থেকে দুই হাজার কেজি, পটুয়াখালী থেকে ৪শত ৩০ কেজি, বরগুনা থেকে এক হাজার ৪ শত ৫০ কেজি। বেগুন গাছ।

মানুষ পারিবারিক কৃষিতে যত বেশি আগ্রহী হবেন তত সাংসারিক স্বচ্ছলতা ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে কৃষি কর্মকর্তা আফতার উদ্দিন। তিনি বলেন, পারিবারিক কৃষি উপকূলীয় অঞ্চলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এর মাধ্যমে ভিটামিন ও সবজির চাহিদা পূরণ হয়। তেমনি প্রতিটি পরিবারের মাঝে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিও আসে। (লেখক: শামীম আহমেদ,বরিশাল)

Manual4 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code