সিলেট জেলায় আরো ৫২ জনের করোনা শনাক্ত
বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট জেলায় আরও ৫২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) ওসমানী মেডিকেল কলেজের ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় ৩৭ জন ও শাবির ল্যাবে ১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক হিমাংশু লাল রায় জানান, আজ ওসমানীর ল্যাবে ২৮২ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭১ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে।
নতুন শনাক্তদের মধ্যে সিলেট জেলায় ৩৭ জন, হবিগঞ্জ জেলায় ১২ জন ও মৌলভীবাজার জেলার ২২ জন রয়েছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ৬ জন চিকিৎসক রয়েছেন বলেও জানা গেছে।
হিমাংশু লাল রায় জানান, সিলেটের ৩৭ জনের মধ্যে সদর উপজেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার ৩৪ জন, বিশ্বনাথ, গোয়াইনঘাট ও বিয়ানীবাজার উপজেলায় একজন করে রয়েছেন।
অন্যদিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাম্মাদুল হক জানান, সোমবার শাবির ল্যাবে সিলেটের ৯৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে ১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়।
সবশেষ সোমবার (১৩ জুলাই) সুনামগঞ্জের নতুন ১৯ জন, সিলেটের ৫২ জন, হবিগঞ্জে ১২ জন ও মৌলভীবাজারের ৪৫ জন নিয়ে সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৯৯৮ জন। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ৩১৭৭ জন, সুনামগঞ্জে ১১৯৩ জন, হবিগঞ্জে ৯২৩ জন ও মৌলভীবাজারে ৭০৫ জন।
সবশেষ সোমবার পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মারা গেছেন ১০৩ জন। এরমধ্যে সিলেটে ৮০, সুনামগঞ্জে ৯, মৌলভীবাজারে ৮ এবং হবিগঞ্জে ৬ জন।
সোমবার (১৩ জুলাই) পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসকে জয় করে বাড়ি ফিরেছেন ২৩১৯ জন। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ৬৮০, সুনামগঞ্জে ৮৫৭, হবিগঞ্জে ৪০৫ এবং মৌলভীবাজারে ৩৭৭ জন।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস বাংলাদেশে ধরা পরে গত ৮ মার্চ। আর সিলেট বিভাগে সর্বপ্রথম করোনাভাইরাস ধরা পড়ে গত ৫ এপ্রিল। এরপর প্রতিদিন বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও।
Related News
কোম্পানীগঞ্জে গাছ কেনাবেচা নিয়ে টর্চ জ্বালিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৪০
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে গাছ কেনাবেচার দেনাপাওনা নিয়ে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যেRead More
বিশ্বনাথে স্ত্রীর মামলায় স্বামী গ্রেফতার
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিশ্বনাথে স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় কছির আলী (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকেRead More



Comments are Closed