Main Menu

সিলেটে মানবপাচার মামলার আসামি রফিকুল গ্রেপ্তার

Manual1 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার পথে গত বছরের ৯ মে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে অন্তত ৩৭ জন বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় দায়ের করা ছয়টি মানব পাচার মামলার অন্যতম আসামি রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯)।

সোমবার (১ জুন) বিকেলে তাকে বিশ্বনাথ উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৯ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা ওবাইন রাখাইন।

তিনি জানান, আসামি রফিকুল ইসলাম মানবপাচার সংক্রান্ত ৬ মামলার আসামি। বর্তমানে আসামি র‌্যাবের হেফাজতে রয়েছে। ২০১৯ সালের ৯ মে ভূমধ্যসাগরে ট্রলার ডুবির ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৩৭ বাংলাদেশি।

গ্রেপ্তারকৃত আসামি রফিকুল ইসলাম সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার কাঠালীপাড়া গ্রামের মৃত চমক আলীর পুত্র।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের মানবপাচার চক্রের অন্যতম শীর্ষ আসামি রফিকুলের বিরুদ্ধে মামলা করায় বাদীকে অস্ত্র দিয়ে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টাও করেছিল মানবপাচার চক্র। এ ব্যাপারে রফিকুলসহ তার ৫ সহযোগীর বিরুদ্ধে বিশ্বনাথ থানায় মামলাও হয়েছিল। ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর দায়ের করা মামলা নং ২১।

বিশ্বনাথ উপজেলার নওধার মাঝপাড়া গ্রামের ইলিয়াস আলীর পুত্র রেজাউল ইসলাম রাজু মামলাটি দায়ের করেছিলেন। এতে মামলার প্রধান আসামী উপজেলার কাঠালীপাড়া গ্রামের মৃত চমক আলীর পুত্র রফিকুল ইসলামকে প্রধান আসামি ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলী চেরাগী গ্রামের সৈয়দ আলীর পুত্র শাহিন আহমদসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

এই মামলায় গ্রেফতার করা হয় মানবপাচার চক্রের মূল হোতা রফিকুলের সহযোগী বিশ্বনাথ উপজেলার রাজনগর গ্রামের মৃত আতর আলীর পুত্র আবদুল কাদির, রামপাশা গ্রামের মৃত আবদুল মানিকের পুত্র আলী হায়দার মহুরী, বিশ্বনাথ নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা আসু মিয়ার পুত্র আবুল কালামকে।

Manual2 Ad Code

এছাড়াও ২০১৯ সালের ১৬ মে মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইনে মামলা হয় রফিকুলের বিরুদ্ধে। মামলা নং ৮।

এর আগে, গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর মানব পাচার মামলায় রফিকুলের মেয়ে পিংকি অনন্যা প্রিয়াকেও গ্রেপ্তার করেছিল র‌্যাব।

গত বছরের ৯ মে রাতে লিবিয়া থেকে নৌকাযোগে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৩৭ জন বাংলাদেশি নিহত হন এবং ১৫ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে তিউনিশিয়া কোস্টগার্ড।

Manual7 Ad Code

এ ঘটনায় নিহত রেদওয়ানুল ইসলাম খোকনের ভাই রেজাউল ইসলাম রাজু বিশ্বনাথ থানায় রফিকুল ইসলাম, তার ছেলে পারভেজ আহমদ, মেয়ে পিংকি ও আরেক মানব পাচারকারী এনামুল হক এনামসহ অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

Manual1 Ad Code

এর পর দেশের আরও পাঁচটি থানায় রফিকুল ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মানব পাচারের কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়।

Manual6 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code