Main Menu
শিরোনাম
শাবির ল্যাবে আরো ২২ জনের করোনা শনাক্ত         কমলগঞ্জে এক বৃদ্ধের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল         জৈন্তাপুরে ভারতীয় পাতার বিড়িসহ গ্রেফতার ১         গোয়াইনঘাটে ধর্ষণ চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন         শ্রীমঙ্গলে স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামীর আত্মহত্যা!         সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রী পপির আত্মহত্যা         ধর্ষণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে         বিশ্বনাথে বৃদ্ধ ও এক গৃহবধুর লাশ উদ্ধার          সিলেটে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৮৫৮২, মৃত্যু ১৫৩          ওসমানীর ল্যাবে আরো ৬১ জনের করোনা পজিটিভ         বিশ্বম্ভরপুরে বজ্রপাতে কৃষক নিহত         শ্রীমঙ্গলে ঘরে বসে সততা পরীক্ষার আয়োজন        

ঝুঁকিতে কৃষির মাঠকর্মীরা, ব্যক্তিগত সুরক্ষা দাবি

অমর চাঁদ গুপ্ত, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: ‘বোরো ধান কিনতে কৃষক তালিকা তৈরি, আউশ ধানের প্রণোদনায় কৃষক তালিকা তৈরি, কৃষি কার্ড হালনাগাদ, ফসলের বালাই দমন, আম, কাঁঠাল, লিচুর ফলনে কৃষককে পরামর্শ দেওয়া, ইউনিয়নে ট্যাগ অফিসারের দায়িত্ব পালন- এমন আরো কত কিছু করতে হচ্ছে আমাদেরকে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের কোনো ব্যক্তিগত সুরক্ষা নেই।’

কথাগুলো বলছিলেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শ্রী মুক্তি চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি জানান, এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত পার্সোনাল প্রটেকশন ইকুপমেন্ট (পিপিই) বা অন্য কোনো সুরক্ষা সামগ্রী পাওয়া যায়নি। এ কারণে ঝুঁকি নিয়েই কৃষকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে, মাঠে থেকে তাঁদেরকে কাজ করতে হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এটিএম হামীম আশরাফ মাঠপর্যায়ে কাজ থাকায় ঝুঁকি রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে কথা হলে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ব্যক্তিগত সুরক্ষার কোনো সরঞ্জাম সরকারিভাবে বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাধারণ ছুটিকালীন ১৮টি মন্ত্রণালয়ের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের যেসব অফিস সীমিত পরিসরে খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে এর মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের নাম রয়েছে তিন নম্বরে। গত ২৩ এপ্রিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ওইসব মন্ত্রণালয়ের অফিস সীমিত পরিসরে খোলা রাখতে অনুরোধ করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষি বিভাগে কর্মরতদের বর্তমান পরিস্থিতিতে অফিসে উপস্থিত থাকার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কাজ করতে হচ্ছে। লকডাউনের মধ্যেই বোরো ধান কাটতে আগ্রহী শ্রমিক সংগ্রহ করে তাঁদের নাম-ঠিকানার তালিকা তৈরি, ধান কেনার জন্য কৃষক তালিকা প্রণয়ন, কৃষকের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ, কৃত্রিম সংকট যেন সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনসহ বিভিন্ন ধরনের কাজে ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে সরাসরি মাঠ পর্যায়ে থেকে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম চৌধুরী বলেন, কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ঝুঁকিমুক্ত রাখতে এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী প্রদানের জন্য দ্রæত উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান মিল্টন বলেন, এলাকার জাতীয় সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার মহোদয়ের সাথে আলোচনা করে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঝে দ্রæত সুরক্ষা সামগ্রী প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।

0Shares





Related News

Comments are Closed